1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী: হরমুজ প্রণালিতে কোনও বাংলাদেশি জাহাজ আটকে থাকবে না প্রাথমিক পর্যায়ে ১১ উপজেলার ২২,০৬৫ কৃষককে কৃষক কার্ড প্রদান হবে: কৃষিমন্ত্রী দুপুরে জামিন, সন্ধ্যায় কাশিমপুর থেকে মুক্তি পেলেন শিরীন শারমিন প্রথম পর্যায়ে ১০ জেলার ১১টি উপজেলার ২২,০৬৫ কৃষক পাবেন কৃষক কার্ড: কৃষিমন্ত্রী জয় ও পলকের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ১৬ এপ্রিল নির্ধারণ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার চেষ্টা জোরদার করছে সরকার: মাহদী আমিন শুধুমাত্র করোনার বিরুদ্ধে নয়, হাম ও রুবেলার বিরুদ্ধে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা জনগণের আশ্বাস দিয়েছে: তারেক রহমান স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের দপ্তরি গ্রেফতার দূরপাল্লার ট্রেনে যুক্ত হচ্ছে ফ্রি ওয়াইফাই পরিষেবা

শেষ কার্যদিবসে বিরোধীদের ওয়াকআউট যৌক্তিকতা ছিল না: সালাহউদ্দিন

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জাতীয় সংসদের শেষ কার্যদিবসে বিরোধী দলের ওয়াকআউটের কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ ছিল না। রোববার (১২ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি জানান, জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর পর ঈদসহ নানা ছুটির কারণে কার্যক্রম পরিচালনায় সময় সংকট ছিল। বিধি অনুযায়ী অধ্যাদেশগুলি ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদে উপস্থাপন করতে হয়, তাই সময়ের চাপ আরও বেড়ে যায়। এই কারণেই শুক্রবারও সংসদের অধিবেশন চালানো হয়েছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সহজ ছিল না এবং এজন্য কিছু অধ্যাদেশ আগে থেকে টেবিলে আনা সম্ভব হয়নি।

বিরোধী দলের আচরণ নিয়ে তিনি বলেন, তারা একাধিকবার ওয়াকআউট করেছে। যে ইস্যুগুলোতে তারা এসব কর্মসূচি নিয়েছে, সেখানে কিছু তথ্য সঠিক ছিল না এবং গণমাধ্যমের সামনে বিভ্রান্তিকর মন্তব্যও করেছেন। বিশেষ করে জুলাই অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর–সংক্রান্ত অধ্যাদেশটিকে কেন্দ্র করে তাদের ওয়াকআউটের কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে জানান, মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৭টি অপরিবর্তিত অবস্থায় পাস হয়েছে। ১৩টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে পাস করা হয়েছে, ৭টি অধ্যাদেশ রহিতকরণ বা সংশ্লিষ্ট বিলের মাধ্যমে অনুমোদন পেয়েছে এবং ১৬টি অধ্যাদেশ উপস্থাপন করা হয়নি। সব মিলিয়ে ৯১টি বিলের মাধ্যমে ১১০টি আইন পাস হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মানবাধিকার কমিশন আইন, সুপ্রিম বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত আইন ও সুপ্রিম সচিবালয়–সংক্রান্ত বিল প্রস্তাবের সময় প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা ও অতিরিক্ত যাচাই-বাছাইয়ের কথা বলা হয়েছে। এসব বিষয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই; যারা ভিন্ন দাবি করছেন তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।

গুম কমিশন সম্পর্কেও আইনমন্ত্রী বলেন, আইসিটি আইনে গুমের সংজ্ঞা থাকলেও গুম কমিশন সংক্রান্ত আইনে তা স্পষ্টভাবে আলাদা করা হয়নি। ফলে মানবাধিকার সংক্রান্ত অন্যান্য আইনগুলোর সঙ্গে কিছু অসামঞ্জস্য দেখা দিতে পারে—এই কারণেই বিষয়টি আরও বিশদভাবে খতিয়ে দেখা জরুরি।

মানবাধিকার কমিশনের কার্যক্রমের কৌশল নিয়ে তিনি জানালেন, কমিশনের তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। কমিশন উভয় পক্ষকে ডেকেতে পারে, জরিমানা, ক্ষতিপূরণ বা আইনগত পদক্ষেপের পরামর্শ দিতে পারে এবং প্রয়োজন হলে নিজে বাদী হয়ে মামলা করতে পারে। তবে জরিমানা বা ক্ষতিপূরণ নিরূপণের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণের বিধান নেই।

শেষে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, অতীতেও বিভিন্ন সময় বেশ কিছু অধ্যাদেশ আইন হিসেবে গৃহীত হয়েছিল; বর্তমান সরকারের সময়ও এ পর্যন্ত অনেক অধ্যাদেশকে আইন রূপ দেওয়া হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo