1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

জয় ও পলকের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ১৬ এপ্রিল নির্ধারণ

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আগামী ১৬ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দেশের গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞকে সহজতর করা হয়েছিল।

রোববার (১২ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে তৃতীয় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ইমদাদুল হক মোল্লা। তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট সেবা সরকারী সিদ্ধান্তে বন্ধ ছিল।

ইমদাদুল জবানবন্দিতে আরও জানান, আগুন লেগেছিল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে; সরাসরি কোনো ডাটা সেন্টারে নয়। তবে কিছু ফাইবার অপটিক ক্যাবল পুড়ে যাওয়ার ফলে ট্রান্সমিশনে বাধা দেখা দিয়েছিল। তার যুক্তি ছিল, একটি ডাটা সেন্টার বন্ধ হলেও সারাদেশে সম্পূর্ণ ইন্টারনেট ব্যাহত হওয়া উচিৎ ছিল না, কারণ দেশে আরও ১৫-১৬টি ডাটা সেন্টার রয়েছে।

জবানবন্দি শেষে সাক্ষীকে জেরা করেন পলকের আইনজীবী লিটন আহমেদ। এই মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক রয়েছেন; তার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম আইনি লড়াই করছেন। অপর আসামি জুনায়েদ আহমেদ পলক বর্তমানে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।

পেছনের ঘটনাপট: গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে আদালতে সূচনা বক্তব্য পেশ করা হয়, যেখানে জয় ও পলককে জুলাই গণহত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। এর আগে ২১ জানুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে এবং মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।

প্রসিকিউশনের দাবি, গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছ থেকেই চলে এবং তা বাস্তবায়ন করতেন জুনায়েদ আহমেদ পলক; তাদের এই কর্মকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে। কিন্তু আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ট্রাইব্যুনাল ৪ ডিসেম্বর এই মামলার অভিযোগ গ্রহণ করে; ওই দিন জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়া্না জারি করা হয় এবং পলককে ওই ঘটনার মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়। ট্রাইব্যুনালে তাদের বিরুদ্ধে মোট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১৬ এপ্রিল।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo