1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন: ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় পৌঁছেছে ২৭۶৯ মার্কিন ডলার। এর পাশাপাশি, সরকার আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার স্বপ্ন দেখাচ্ছে। এটি একটি অসাধারণ অঙ্গীকার যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে এক বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনে, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেনের একজন লিখিত প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সংসদ অধিবেশনটি ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে পরিচালিত হয়।

অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী বর্তমানে দেশের মানুষ গড়ে ২৭৬৯ ডলার আয় উপভোগ করছেন। তবে সরকারের লক্ষ্য আরও বেশি অগ্রসর হওয়ার, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তুলাই সরকারের মূল পরিকল্পনা। এই লক্ষ্য পূরণের জন্য বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি এবং স্পোর্টস ইকোনমিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে একটি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করা হচ্ছে।

মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য সরকার কেবল কোন খাতে নির্ভর করছে না বলেও অর্থমন্ত্রী জনগণের সামনে তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, কর্মসংস্থান বাড়ানো, বিনিয়োগ আকর্ষণ, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, রপ্তানি ও প্রবাস আয় বাড়ানো, পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করাও লক্ষ্য। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা হচ্ছে।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্যানুযায়ী, সরকারের প্রধান পদক্ষেপগুলো হলো: বেকারত্ব কমানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইটি, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা প্রকল্পে গুরুত্ব দেয়া। এছাড়াও শিল্পায়ন ও বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যবসা সহজ করা, শিল্পে উৎসাহ দেওয়া এবং উৎপাদনমুখী খাতে অর্থপ্রবাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

বিশেষ করে এসএমই খাতের উন্নয়নেও সরকারের বিশেষ নজর রয়েছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, বিশেষ করে নারী ও যুব উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ অর্থায়ন প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি, দেশি-বিদেশি শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে যাতে তারা আরও স্বয়ম্ভর হন। বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো সহজতর করার পাশাপাশি রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণ করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানোর প্রচেষ্টা চলছে।

এই সকল পদক্ষেপের বাস্তবায়ন সম্পর্কেও অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, কিছু উদ্যোগ এই অর্থবছরেই কার্যকর হবে। বাকিগুলোর জন্য পরিকল্পনা রয়েছে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে পর্যায়ক্রমিক সম্পন্ন করার।

অর্থমন্ত্রী বলছেন, এই সব সমন্বিত উদ্যোগ স্বার্থে দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বজায় থাকবে এবং একই সাথে ২০৩৪ সালের লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ় ভিত্তি তৈরি হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo