1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

বিরোধীদের আপত্তি সত্ত্বেও জাতীয় সংসদে দুটি বিল পাস

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

আজ বৃহস্পতিবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল অনুমোদন লাভ করে। প্রথমটি হলো জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬, যা বিরোধীদলের প্রতিবাদের মুখে কণ্ঠভোটে পাস হয়। তা উত্থাপনের সময়, এনসিপির সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কড়া আপত্তি তুলতে গেলে, সভায় উপস্থিত সদস্যরা তা নাকচ করে দেন। এই বিলটি পাসের মাধ্যমে ২০০৯ সালে প্রণীত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের আইনটি পুনরুদ্ধার হচ্ছে, যা দীর্ঘদিন বিরুদ্ধে নানা বিতর্কের জন্ম দেয়। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারির কোনও অধ্যাদেশের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে অনেকে মনে করেন।

নছিলেন বিশেষজ্ঞরা অনেকের মতে, এ বিলটি পাসের ফলস্বরূপ মানবাধিকার সংস্থার স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে এবং এটি রাজনৈতিক দমন-পীড়নের কার্যকর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিরোধী দলের সদস্যরা। হাসনাত আবদুল্লাহ মন্তব্য করেন, ২০০৯ সালে তৈরি এই আইনটি আনুষ্ঠানিকভাবে মানবাধিকারের স্বার্থে নয়, বরং সরকারের মতপ্রতিষ্ঠা ও বিরোধী দল দমন করার জন্য তৈরি হয়েছিল। তিনি মনে করেন, এই বিলের মাধ্যমে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও সংকটাপন্ন হবে এবং সরকার বাহিনী ও বিভিন্ন তদন্ত সংস্থাগুলোর কর্মকাণ্ড আরও স্বচ্ছতার অভাবে পরিচালিত হতে পারে।

তাঁর আরো ব্যাখ্যায়, এই বিলের ফলে মানবাধিকার কমিশনকে রাজনৈতিক দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হবে বলে আশঙ্কা জোরদার হচ্ছে। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের আইনটির ভেতরে মূলত সরকারি দপ্তর ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাই ছিল, যেখানে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সদস্যরা থাকতেন। এছাড়া, বিভিন্ন বাহিনী ও শক্তিশালী সংস্থার বিরোধী তদন্তে বাধা দেওয়া কিংবা তাদের ওপর নির্ভরতা থাকছে। এই পরিস্থিতিতে, বর্তমান সংসদে এই বিল পাসের সিদ্ধান্ত বাস্তব বিপদের ঝুঁকি বাড়ায়।

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এই বিতর্কিত বিষয়ের ওপর আরও সময় প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন। স্পিকার বলেন, অতীতের সংসদে এই ধরনের বিষয়গুলোতে খুব কম সময় দেওয়া হত, তাই তিনি প্রস্তাব করেন সময়ের সীমাবদ্ধতা না রেখে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করার।

শেষমেশ, হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, যদি এই বিলটি ২০২৪ সালের মে মাসে উত্থাপিত হতো, তাহলে কোনও সদস্যই এর বিরোধিতা করতেন না। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। তিনি জানান, ২০০৮ ও ২০১৮ সালের সময়ে এই বিলের বিরোধিতা ছিল না, কিন্তু বর্তমানে নম্বর বৃদ্ধি ও রাজনৈতিক পরিবেশের পরিবর্তনে একে প্রত্যাখ্যান করা হয়। তিনি দৃঢ়ভাবে মন্তব্য করেন, এই সংসদে এই বিল অবশ্যই পাস হবে।

আরেকদিকে, বিরোধীপক্ষের আপত্তির মুখে সুপ্রীম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণের) বিল-২০২৬ও আজ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এই দুটি বিল পাসের ফলে সরকারের রাজনৈতিক ও মানবাধিকার সম্পর্কিত নিয়ন্ত্রণ জোরদার হবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিশ্লেষকরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo