1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

মেধাস্বত্ব নিশ্চিত হলে গবেষণা জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে: উপাচার্য

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিস (টিটিও) হিট সাব-প্রজেক্টের আওতায় ‘ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি রাইটস এন্ড প্রটেকশন স্ট্র্যাটেজিস’ শীর্ষক এক কার্যকরী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০৬ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।

উপাচার্য বলেন, গবেষণার প্রকৃত মূল্য তখনই প্রতিষ্ঠিত হয় যখন তা সঠিকভাবে সংরক্ষিত ও প্রয়োগযোগ্য করা যায়। মেধাস্বত্ব নিশ্চিত হলে গবেষণার ফল শুধু একাডেমিক পরিসরেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা জাতীয় উন্নয়ন ও শিল্পখাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। তিনি গবেষকদের তাদের আবিষ্কার ও উদ্ভাবন সুরক্ষায় আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান এবং টিটিও প্রতিষ্ঠা ও এ ধরনের কর্মশালা আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। তিনি আশাব্যঞ্জকভাবে বলেন, এসব উদ্যোগ গবেষকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে উপকারী হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনুর রশীদ খান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বলেন, প্রত্যেক গবেষণার লক্ষ্য মানবকল্যাণ হওয়া উচিত এবং জীবনমান উন্নয়নে গবেষণার ভূমিকা অনস্বীকার্য। তিনি সতর্ক করে বলেন যে অনেক কষ্টে নির্মিত গবেষণার ফল যদি মেধাস্বত্বে সুরক্ষিত না থাকে, তাহলে তার মালিকানা হারিয়ে যেতে পারে। গবেষণার ফল জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তার আর্থিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোতেও মেধাস্বত্বের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী বলেন, গবেষণায় বিনিয়োগ করে যে ফলাফল আসে তার মালিকানার সংরক্ষণ স্বাভাবিক ও যৌক্তিক। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদানের সঙ্গে সঙ্গে মেধাস্বত্ব রক্ষা করা প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। টিটিওর প্রতিষ্ঠার ফলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষকদের জন্য এই ধরণের সুরক্ষার সুযোগ তৈরি হয়েছে, তিনি জানান।

পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, উদ্ভাবনের মেধাস্বত্ব রক্ষা না করলে উদ্ভাবক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া কঠিন। পাশাপাশি মেধাস্বত্ব থাকলে ঐ উদ্ভাবনের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে গবেষকরা আর্থিকভাবে সাফল্য অর্জন করতে পারেন। তিনি সকল গবেষণার আউটকামকে মেধাস্বত্ব অধিকারভুক্ত করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের এসপিএম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর ড. কাজী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের এএসপিএম প্রফেসর ড. মোঃ ইয়ামিন কবীর। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রিসার্চ অফিসার সাজ্জাদ হোসেন তুহিন।

উদ্বোধন পর তিনটি টেকনিক্যাল সেশন ও তিনটি ডিসকাসন সেশন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনুর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, পরিচালক ড. অশোককুমার রায় এবং উপ-পরিচালক (পেটেন্টস) মোঃ হাবিবুর রহমান সেশনগুলো উপস্থাপন করেন।

দিনব্যাপী কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি স্কুল ও ডিসিপ্লিনের উদ্ভাবন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে কিভাবে সুরক্ষিত করা যাবে তা নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন স্কুলের ডীন, ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, বিভাগীয় পরিচালক, হিট প্রকল্পের এসপিএমবৃন্দ, শিল্প প্রতিনিধি, আইনজীবী ও শিক্ষার্থীরা উক্ত কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে। আয়োজকরা মনে করেন, এসব উদ্যোগ গবেষকদের উদ্ভাবনী কাজকে সুরক্ষিত করে দেশের উন্নয়ন ও শিল্পখাতে নতুন দিগন্ত উদ্বোধন করবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo