1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

ইরানের হাতে উত্তর কোরিয়ার হোয়াসং-১৮ ব্যালিস্টিক মিসাইল!

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

অবিশ্বাস্য এক রণকৌশল ও সাহসিকতার মাধ্যমে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের পরিস্থিতি পরিবর্তন হচ্ছে। বিশ্ববাসী বিস্মিত হয়ে বাড়ছে প্রশ্ন, কীভাবে এতটা গোপন রেখে ইরান এখন উত্তর কোরিয়ার তৈরি সবচেয়ে শক্তিশালী হোয়াসং-১৮ (Hwasong-18) ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল (আইসিবিএম) অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এই ঘটনাটি এমন এক নজিরবিহীন ও গোপনীয় সামরিক সহযোগিতা, যা এর আগে কখনও প্রকাশ পায়নি, এমনকি বিশ্বের শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছেও।স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, উত্তর কোরিয়া থেকে প্রায় ৫০০টি আইসিবিএম এখন ইরানের কাছে পৌঁছেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই হোয়াসং-১৮ এর মালিক এখন ইরান, যা এতদিন পর্যন্ত পৃথিবীর কাছে একটি গোপন অস্ত্র ছিল। এই ধরণের অস্ত্রের বাজারে এটি সবচেয়ে আধুনিক। ইরানের নিজস্ব অস্ত্রশক্তির সাথে উত্তর কোরিয়ার এই সমঝোতা সামগ্রিক বিশ্বে আইসিবিএমের মোট সংখ্যা মাত্র ৪০০টিতে পৌঁছেছে।গত ১৪ মাসের মধ্যে উত্তর কোরিয়া থেকে এই অস্ত্রগুলো সরাসরি ইরানে হস্তান্তর হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য সম্পূর্ণ অজানা ছিল। এমনকি পৃথিবীর অন্যতম সেরা নজরদারি ব্যবস্থা এই ব্যাপারে কিছুই জানতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে, এই অস্ত্রগুলো চীনের ভূখণ্ড ও মধ্য এশিয়ার দুর্গম পথ পেরিয়ে সরাসরি ইরানের সামরিক গুদামে পৌঁছেছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে এত বৃহৎ অস্ত্র হস্তান্তর আগে কখনও ঘটেনি। এই মিসাইলগুলো শুধু ইরানেই নয়, ইউরোপীয় রাজধানীগসহ যুক্তরাষ্ট্রেও আঘাত হানতে সক্ষম। এগুলো সলিড ফুয়েলে চলে, অর্থাৎ যেকোনো সময় উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত। এক সেকেন্ডের মধ্যে আকাশে ওড়ার জন্য এই মিসাইলগুলো হিট সিগনেচার সম্পূর্ণ গোপন করে নিয়ে যায়, ফলে শত্রুরা বুঝে উঠতেও পারেন না কোথা থেকে আঘাত আসছে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই হোয়াসং-১৮ মিসাইল পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করে। এগুলি রাডার, জিপিএস বা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে নয়, বরং আকাশের তারা দেখে পরিচালিত হয়। অর্থাৎ, কোনও প্রযুক্তি দ্বারা এগুলিকে শনাক্ত বা ইলেকট্রনিকভাবে জ্যাম করা সম্ভব নয়। এর নির্ভুলতা প্রায় ১০০-১৫০ মিটার। এই খবর পেয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিষদ মাত্র ৯ ঘণ্টার মধ্যেই জরুরি সভা ডেকেছে।সঠিক তথ্য অনুযায়ী, ইরানের বিভিন্ন অংশে ইতিমধ্যে এই সমস্ত মিসাইল মোতায়েন করা হয়েছে। ইরানের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির মোকাবিলায় এখন ইরানের হাতে পাল্টা আক্রমণের সক্ষমতা রয়েছে। এই ঘটনাটি বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা আর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে, কারণ ভবিষ্যতে এই ধরনের অস্ত্রের বিস্তার ও ব্যবহার কেমন হবে তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo