1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

মার্চে একক মাসে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স: ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

সদ্য শেষ হওয়া মার্চ মাসে বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী Bangladeshিরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৩.৭৫৫ বিলিয়ন)। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ রিপোর্টে বলা হয়েছে, এটি একক মাস হিসেবে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স।

রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্চে এসেছে মোট ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা গত ফেব্রুয়ারির তুলনায় প্রায় ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বেশি। একইভাবে, গত বছরের ওই সময়ে (মার্চ ২০২৫) রেমিট্যান্স ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার—এবার সেই সংখ্যার তুলনায় প্রায় ৪৬ কোটি ডলার বেশি পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স ছিল ৩০২ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নথিতে বলা হয়েছে, এর আগের সর্বোচ্চ একক মাসের রেকর্ড ছিল গত বছরের মার্চে, তখন প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন মোট ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার (প্রায় ৩.২৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। ডিসেম্বরে আসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার এবং জানুয়ারিতে ছিল তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩১৭ কোটি ডলার।

সেক্টর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মার্চে ঈদ উপলক্ষে টাকা পাঠানোর চাহিদা বেড়ে যায়; পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোতে কর্মসংস্থান পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকায় এবং বেকারত্ব ব্যাপকভাবে না বাড়ায় প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর সক্ষমতা বজায় রয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয়ও হঠাৎ করে বাড়েনি—এসব কারণ মিলিয়ে প্রবাসীরা বেশি পাঠিয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

ব্যাংকভিত্তিক প্রবাহের মধ্যে দেখা যায়, রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৪ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স। বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে সর্বোচ্চ ২৬৪ কোটি ডলার। এছাড়া বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে প্রায় এক কোটি ২০ হাজর ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই হিসাব ও খাত বিশ্লেষকদের মন্তব্য অনুযায়ী, রেমিট্যান্স প্রবাহ বজায় থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থাও দৃঢ় থাকবে এবং গুরুত্বপূর্ন সামাজিক-অর্থনৈতিক সহায়তা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo