1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়ার্কআউট

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬

বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিরোধীদলীয় সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশনের প্রশ্নে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে সংসদ থেকে ওয়ার্কআউট করেছেন। বিরোধী দলের নেতার নেতৃত্বে তারা অধিবেশন ত্যাগ করেন।

সংসদে দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পরেও সংবিধান সংস্কার পরিষদে আয়োজিত সভার সিদ্ধান্ত নিয়ে স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় বিরোধীদল এই পদক্ষেপ নেন। নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আইনমন্ত্রী হয়তো আমার বক্তব্যকে পুরোপুরি লক্ষ্য করেননি, তবে আমি বিশ্বাস করি না যে এটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে করা হয়েছে। মূলত আমাদের আলোচনাতে প্রধান বিষয় ছিল গণভোট এবং এর সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবিত পরিষদে সভা আহ্বানের বিষয়।

তিনি আরও যোগ করেন, সংকট নিরসনের জন্য যদি সংস্কার পরিষদে কোনও বিশেষ কমিটি গঠিত হয়, তবে আমরা সেটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব। সেই সঙ্গে প্রস্তাব দিয়েছি, এই কমিটিতে সরকারি ও বিরোধী দল থেকে সমান সংখ্যক সদস্য রাখা হলে তা আরও কার্যকরী হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো বিদ্যমান সংকট সমাধান, নতুন সমস্যা সৃষ্টি নয়।

বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমান বলেন, আইনমন্ত্রী তার বক্তব্যে আমার আগের কথার প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। আমার বক্তব্যটি আগে শেষ ছিল বলে আমি বললাম, এটি জনআকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যেখানে লাখ লাখ মানুষ অংশগ্রহণ করবে। আমরা আশা করেছিলাম স্পিকারের মাধ্যমে এর জন্য কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত বা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে শেষ পর্যন্ত কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি না। আমি আপনার কাছ থেকে এই বিষয়ে পরিষ্কার ও স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রত্যাশা করছি।

এর উত্তরে স্পিকার উল্লেখ করেন, গতকালের প্রস্তাবটি ছিল একটি মুলতবি প্রস্তাব, যা তার অনুপস্থিতিতে গৃহীত হয়। বাংলাদেশের ৫৩ বছরের সংসদীয় ইতিহাসে মাত্র তিনটি মুলতবি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে, যার মধ্যে ছিল আনোয়ার হোসেন মঞ্জুরের, গ্রেনেড হামলা ও নূরুল ইসলাম মণির কোস্টগার্ড সংক্রান্ত প্রস্তাব। সাধারণত, আটকে থাকা বছরের পর বছর কোনো প্রস্তাব মুলতবি করা হয় না। তবে সংসদে ভোটের উত্তেজনা ও আলোচনার জন্য ডেপুটি স্পিকার এই প্রস্তাব গ্রহণ করেন।

তিনি আরও বলেন, সমস্যার সমাধান কেবল আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সম্ভব, অতএব সাধারণত মুলতবি প্রস্তাব গৃহীত হয় না, তবে ভোটের মাধ্যমে সংসদে সবদলের মতামত নেওয়ার জন্য এটি গ্রহণ করা হয়েছে। আজ আমরা এই সংক্রান্ত অন্য একটি নোটিশ বিবেচনা করব। আপনার যদি বক্তব্য বাকী থাকলে আজ বা আগামীকাল আলোচনা চলবে। এটি আমাদের জনগণের সংসদ, এখানেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসরণ করে আলোচনা ফলপ্রসূ করতে আপনাদের সরাসরি দায়িত্ব।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo