1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
এক ধাক্কায় জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল ৮০ শতাংশ আইজিপি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ সমাজের জন্য পুলিশের আরও পেশাদার ও কার্যকর ভূমিকার আহ্বান ভারতে কারাভোগ শেষে ৩৩ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তায় পেট্রোল পাম্প চালু রাখার আহ্বান পেট্রোল পাম্প চালু রাখতে পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তা চাইলেন মালিকরা ভারতে কারাভোগ শেষে বেনাপোলে দেশে ফিরেছে ৩৩ বাংলাদেশি ভারত থেকে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরল ৩৩ পাচারের শিকার বাংলাদেশি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব: সামনে সবকিছুর দাম বাড়বে, মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে — মির্জা ফখরুল কুমিল্লার ট্রেন-বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহত ১২ জনের নাম-পরিচয় নিশ্চিত

কালীগঞ্জে কৃত্রিম জ্বালানি সংকট: বোতলজাত তেল খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় কৃত্রিমভাবে জ্বালানি তেলের সংকট সৃষ্টি করে অনিয়ম চলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, উপজেলার ১১টি পেট্রোল পাম্পে তেল সরবরাহ নেই বলে সাধারণ গ্রাহকদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু একই তেল বাইরে ড্রামভর্তি করে বোতলজাত করে খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মার্চ থেকে এলাকায় তেলের সংকট তীব্র আকার নিয়েছে। বিশেষ করে ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে থাকা মোটরসাইকেল আরোহীরা তেলের তীব্র ঘাটতির কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন। পাম্পে তেল না পেয়ে অনেকেই বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে ও গ্রামাঞ্চলের অবৈধ দোকান থেকে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ দামে তেল কিনছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগ আছে যে কিছু অসাধু চক্র পাম্প থেকে তেল নিয়ে বাইরে ড্রামে রেখে পরে সেটি বোতলজাত করে প্রতি লিটার পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেন ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি করছে। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবহনে ব্যয়ও বাড়ছে।

এক ঢাকাগামী মোটরসাইকেল আরোহী গোলাম আজম বলেন, ‘‘পাম্পে তেল নেই বলা হলেও রাতে অনেকেই ড্রামভর্তি তেল নিয়ে বাইরে বিক্রি করে। এটা দেখে স্পষ্ট যে কোনো না কোনো সংঘবদ্ধ চক্র বেশি মুনাফার আশায় এই পরিস্থিতি তৈরি করছে।’’

পাম্প মালিকরা ডিপো থেকে সরবরাহ কম থাকায় সমস্যাটি শুরুর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গ্রামবাসীদের বক্তব্য, সুদৃঢ় কোনো জাতীয় বা স্থানীয় তেল সংকট নেই; বরং কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরি করে কালোবাজারি চলছে বলে তারা দাবি করছেন।

প্রতিদিন সীমিত পরিমাণ তেল সরবরাহের কারণে পাম্পে দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও অল্প পরিমাণ তেল পেলে তৎক্ষণাৎ মেশিন বিকল বা তেল শেষ হয়ে গেছে বলে সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে—এই ধরনের অভিযোগও উঠেছে। ফলে অনেক যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

অতিরিক্ত দামে তেল কিনে পরিবহন চালকরা ভাড়া বাড়াচ্ছেন, যা যাত্রীদের ওপর আর্থিক বোঝা বাড়িয়ে জনভোগান্তি তীব্র করছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসন এ পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। তারা অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালিয়ে অবৈধ মজুত ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ সংবাদকারীদের বলেন, ‘‘কোনো পাম্প মালিক তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ তবুও স্থানীয়রা আশা করছেন যে কেবল কথায় নয়, বাস্তবে দ্রুত তল্লাশি ও অভিযান করে এই সংকট নিরসন করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo