1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ডিজোপি প্রকাশ করেছে এফবিআই সাক্ষাৎকার সারসংক্ষেপে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কিশোরী নির্যাতনের অভিযোগ

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস) বৃহস্পতিবার এফবিআইর একাধিক সাক্ষাৎকারের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করেছে, যেখানে এক নারী দাবি করেছেন যে কৈশোরে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। প্রকাশিত নথিগুলো মূলত ২০১৯ সালে এফবিআই প্রস্তুত করা ৩০২ ফাইলের সারসংক্ষেপ—যেখানে ওই নারীর সঙ্গে করা সাক্ষাৎকারের বিবরণ রাখা আছে।

সাক্ষাৎকারগুলোর সারসংক্ষেপে ওই নারী জানিয়েছেন, তার পরিচয় হয়েছিল অভিযুক্ত যৌন পাচারকারী জেফরি এপস্টেইনের মাধ্যমে। তখন তিনি প্রায় ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী ছিলেন বলে নথিতে উল্লেখ আছে। নারীর দাবি, এপস্টেইন তাকে নিউইয়র্ক বা নিউ জার্সির একটি উচ্চ ভবনের বড় কক্ষে নিয়ে যান এবং সেখানে ট্রাম্পের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।

এসব নথিতে আরও বলা হয়েছে—তাঁর কথায়, ট্রাম্প তাঁকে জোর করে যৌন সম্পর্কের চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে তিনি ট্রাম্পের ‘বিশেষ অঙ্গে’ কামড় দেন; এরপর ট্রাম্প তাঁকে আঘাত করেন, এমনটাই ওই সাক্ষাৎকারে উল্লেখ আছে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ১৯৮০-এর দশকে এপস্টেইনের মাধ্যমে পরিচয়ের পরে ট্রাম্প তাকে ওরাল সেক্সে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিলেন।

ট্রাম্প এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট অভিযোগগুলোকে “সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন” আখ্যা দিয়ে বলেন, এগুলোর পক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই এবং তিনি অভিযোগকারীকে মানসিক ও অপরাধমূলক অতীতসম্পন্ন বলে উল্লেখ করেন।

বিচার বিভাগ প্রকাশ্যে সতর্কও করেছে যে, প্রকাশিত কিছু নথিতে ‘‘অসত্য ও চাঞ্চল্যকর দাবি’’ থাকতে পারে এবং সব তথ্য সমগ্র প্রেক্ষাপটে যাচাই করা হয়নি। রয়টার্স অনুসন্ধান করে জানিয়েছে যে তারা ওই অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। এফবিআইর নথিতে ইঙ্গিত আছে, ২০১৯ সালের পরে তদন্তকারীরা ওই নারীর সঙ্গে আর যোগাযোগ করেননি।

বিচার বিভাগ বলেছে, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত নথিগুলো ১৫টি কাগজপত্রের অংশ, যেগুলো আগে ভুলবশত ‘‘ডুপ্লিকেট’’ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় প্রকাশ বাদ পড়েছিল।

এপস্টেইন সংক্রান্ত নথি প্রকাশের ঘটনার পর কংগ্রেসেও প্রশ্ন উঠেছে—কোভর্ক করে অভিযোগ করা হচ্ছে যে ট্রাম্প-সংক্রান্ত কিছু নথি গোপন করা হয়েছিল। অভিযোগ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের একটি কমিটি অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডিকে তলব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে তারা জানতে পারে সরকার কীভাবে এসব নথি প্রকাশের বিষয়টি পরিচালনা করছে।

নথিতে আরও দেখা গেছে, ১৯৯০-এর দশকে ট্রাম্প কয়েকবার এপস্টেইনের ব্যক্তিগত বিমানে ভ্রমণ করেছিলেন—যা নিয়ে ট্রাম্পের নিজস্ব মন্তব্য আলাদা। এছাড়া এক নথিতে বলা আছে, এপস্টেইনের বিরুদ্ধে প্রথম যৌন অসদাচরণের অভিযোগ ওঠার পর ট্রাম্প পাম বিচের পুলিশের প্রধানকে ফোন করে বলে ছিলেন যে ‘‘সবাই জানত সে এসব করছিল।’’

২০১৯ সালের একটি শেষ সাক্ষাৎকারের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, তখন ট্রাম্পের প্রথমবারের প্রেসিডেন্ট মেয়াদকাল চলছিল এবং এফবিআই এজেন্টরা ওই নারীকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন ট্রাম্প সম্পর্কে আরও তথ্য দিতে তিনি আগ্রহী কি না। তার প্রতিক্রিয়া ছিল—‘‘আমার জীবনের এই পর্যায়ে আরও তথ্য দিয়ে লাভ কী, যখন খুব সম্ভবত এ বিষয়ে আর কিছুই করা যাবে না।’’

এই অনলাইন প্রকাশনার তথ্যসূত্র হিসেবে পলিটিকোকে উল্লেখ করা হয়েছে। বিচার বিভাগ নথি প্রকাশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সতর্কবার্তাও দিয়েছেন—সকল দাবিই যাচাইসাপেক্ষ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo