1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত তিস্তা বিপৎসীমার কাছাকাছি: চার জেলায় পানিবন্দি ৬ হাজার পরিবার আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু

পাকিস্তানের ঘোষণা: আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের শুরু, কাবুল ও কান্দাহারে সংঘর্ষ

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘প্রকাশ্য যুদ্ধ’ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। তারের সীমান্তে সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা আক্রমণের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা নতুন দিক নিল। গত কয়েকদিন ধরে কাবুল, কান্দাহার এবং অন্যান্য অঞ্চলে পাকিস্তানের হামলার খবর পাওয়া গেছে, যেখানে পাকিস্তানি সেনাদের অভিযানে এখন পর্যন্ত শতাধিক তালেবান বেসামরিক ও সামরিক পর্যায়ে নিহত হয়েছে।

বিবিসি সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে এক কঠোর ভাষণে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘প্রকাশ্য যুদ্ধ’ ঘোষণা করেছেন। তিনি এই ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, ‘পাকিস্তান পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে, তবে এখন ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেল। এখন আমাদের ও তোমাদের মধ্যে যুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী।’

শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শেহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি এক্সে পোস্টে জানান, পাকিস্তানি বিমান ও সেনাবাহিনী ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে রাজধানী কাবুলসহ পাকতিয়া ও কান্দাহার প্রদেশের বেশ কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সুমরিক আক্রমণ চালানো হয়। অভিযানের মাধ্যমে কাবুল, পাকতিয়া ও কান্দাহারায় ২৭টি সেনাকুড়ি ধ্বংস এবং নয়টি দখল করে নিয়েছে পাকিস্তানি সেনারা।

তিনি আরও জানান, এই আঘাতে আফগান সেনাবাহিনীর দুটি প্রধান সদরদপ্তর, তিনটি ব্রিজ হেডকোয়ার্টার, দুটি গোলাবারুদের ডিপো, লজিস্টিক কেন্দ্র, ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর, সেক্টর হেডকোয়ার্টারসহ ৮০টিরও বেশি ট্যাংক ও বিভিন্ন ধরনের সুপ্রাচীন অস্ত্রবাহী যান ধ্বংস হয়েছে।

প্রায় এক বছর আগে, গত বছর অক্টোবরে, দুই পক্ষই যুদ্ধবিরতির জন্য আপস করলেও, বিচ্ছিন্ন অপারেশনের ঘটনা অব্যাহত ছিল। গত শুক্রবার রাতে কাবুলে জোরদার বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়, যেখানে রাতে বিভিন্ন স্থানে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের ঘটনা ঘটে। তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক্সে দাবি করেছিলেন, শুক্রবার ভোরের হামলায় পাকিস্তানিরা প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে, তবে পরে এই দাবি ডিলিট করা হয়।

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের অভিযানে ১৩৩ তালেবান নিহত হয়েছে এবং আরও ২০০ জন আহত হয়েছে। তবে তালেবানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনও আহত হয়নি। এর আগে, ২১ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তানের নানগারহার ও পাকতিয়া এলাকায় পাকিস্তানের বিমান হস্তক্ষেপে বেশ কয়েকজন নিহত হন। আর তালেবান দাবি করে, তারা এই হামলার জন্য পাকিস্তানের সেনা ও বিমান বাহিনীকে জবাব দেবে।

বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে তালেবান নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোর সঙ্গে সংযোগ রেখে বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে। বিশেষ করে, ২০০১ সালের মার্কিন নেতৃত্বাধীন আফগানিস্তান অভিযানের পরে পাকিস্তান তালেবান সমর্থন দিয়ে আসছিল, কিন্তু সম্প্রতি অভিযোগে উঠে, তারা তালেবানদের নিরাপদ আশ্রয় দিচ্ছে।

অন্তর্ঘর্ষের এই সময়ে, সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাদের ওপর হামলা অব্যাহত রাখে তালেবান। গত ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের বহু এলাকা জঙ্গি হামলার শিকার হয়, যার ফলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। প্রতিবেশী দুই দেশের এই সংঘর্ষের ফলে পরিস্থিতি আরও অন্ধকারে যেতে চলেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo