1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গভর্নরের আহ্বান: সরকারি ফি-চার্জ আদায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহার করুন বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত তিস্তা বিপৎসীমার কাছাকাছি: চার জেলায় পানিবন্দি ৬ হাজার পরিবার আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ

সরকারের ঘোষণা: ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বাংলাদেশ সরকার নতুন এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছে, যা কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সরকার ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ঘোষণা বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সরকারী মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদিত হয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, সরকারের এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের শক্তিমত্তা বাড়ানো।

অর্থনৈতিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে কৃষকদের কাছ থেকে প্রায় ১৫৫০ কোটি টাকা সুদসহ ঋণ পাওয়া গেছে। এই ঋণের মধ্যে মওকুফের আওতায় আসবে অনেক।

যদি এই ঋণ মওকুফ করা হয়, তাহলে প্রায় ১২ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা ঋণের দায় থেকে মুক্তি পাবেন, যা তাদের জন্য একটি নতুন উৎসাহের সৃষ্টি করবে। তারা এই অর্থ দিয়ে উন্নত মানের বীজ, আধুনিক সেচ ব্যবস্থার প্রযুক্তি বা অন্যান্য উন্নত উপকরণে বিনিয়োগ করতে পারেন। এর ফলে তারা পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে সক্ষম হবেন এবং তাদের উৎপাদন বাড়বে।

এছাড়া, ঋণের বোঝা উঠলে কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড উন্নত হবে এবং তারা ব্যাংক থেকে পুনরায় কম সুদে ঋণ পেতে পারবেন। এটি তাদের মহাজনী ঋণের উচ্চ সুদ থেকে রক্ষা করবে এবং বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরো বলেন, ঋণের এই উদ্যোগের ফলে কৃষকরা শস্য, মাছ ও পশুপালন খাতে বেশি উৎসাহিত হবেন। এর ফলে দেশের মোট কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং প্রয়োজনের তুলনায় আমদানি কমে আসবে। এছাড়াও, এই সিদ্ধান্তের ইতিবাচক প্রভাব হিসেবে দেখা যাচ্ছে, গ্রামাঞ্চলে থেকে শহরের দিকে মানুষজনের চলাচল কমবে, এবং গ্রামীণ মূল্যস্ফীতিও হ্রাস পাবে।

প্রতিষ্ঠানিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ১৯৯১-১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সরকারের সময়ও কৃষিঋণের সুদ-আসল ৫ হাজার টাকার মধ্যে মওকুফ করা হয়েছিল, যা কৃষকদের জন্য অনেক সহায়ক হয় এবং কৃষির উৎপাদন বাড়াতে ভূমিকা রাখে। এই পুরানো অভিজ্ঞতা থেকেই বোঝা যায়, বর্তমান উদ্যোগও কৃষকদের জন্য স্বস্তি আনবে এবং দেশের কৃষি উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo