1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: বইমেলা হোক শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশের কেন্দ্র

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

অমর একুশে বইমেলাকে শুধু বই কেনাবেচার উৎসব হিসেবে না দেখে, বরং এটি শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশের অন্যতম মূল সূতিকাগার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জোর দিয়ে নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) অমর একুশে বইমেলা ও বিশেষ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী মুহূর্তে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে বললেন, ‘বই শুধু বিদ্যা ও জ্ঞানের উৎস নয়, এটি অবসরের সঙ্গী ও মস্তিষ্কের জন্য এক ধরনের ব্যাংক। নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মানুষকে স্মৃতিশক্তি ও বিশ্লেষণক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং আলজাইমার বা ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমায়।’

তরুণ প্রজন্মের ইন্টারনেটে আসক্তি এবং বইবিমুখতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ইন্টারনেটে বই পড়া সম্ভব হলেও কাগজের পাতায় কালো অক্ষরের গভীরতা অনন্য। গবেষকেরা বলছেন, অতি ইন্টারনেট আসক্তি শিক্ষার্থীদের বই পড়ার আগ্রহ হ্রাস করে দেয়। তাই আমাদের অবশ্যই এমন উপায় খুঁজে বের করতে হবে যাতে তরুণরা বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়।’

এছাড়া, তিনি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জরিপের তথ্য উল্লেখ করে জানান, ১০২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশে বই পড়ার প্রবণতা ৯৭তম। দেশে প্রতি বছর গড়ে মাত্র ৩টি বই পড়ে মানুষ। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য অমর একুশে বইমেলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে কাজ করতে তিনি আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যত পরিকল্পনা হিসেবে ঘোষণা করেন, আগামী বছরগুলোতে অমর একুশে বইমেলাকে ‘অমর একুশে আন্তর্জাতিক বইমেলা’ হিসাবে আয়োজনের প্রস্তাব। এতে বিশ্ব সাহিত্যের পরিচিতি ও ভাষা শেখার সুযোগ বাড়বে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। এছাড়াও, বাংলা ভাষার জন্য জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষার স্বীকৃতি পাওয়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং জবাবদিহি করা সরকার দেশকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে চায়। বইমেলা যেন শুধু বাংলা একাডেমি বা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং সারা দেশের প্রতিটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে, এ জন্য সরকারের ও প্রকাশকদের অবশ্যই উদ্যোগ নিতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বাংলা একাডেমি তরুণ লেখকদের প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও বিশ্ব সাহিত্যের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে অনুবাদ কার্যক্রম জোরদার করছে। তিনি সবাইকে একটি মানবিক, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য দল-মত নির্বিশেষে সহযোগিতা কামনা করেন।

উপসংহারে তিনি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগানকে ধারণ করে সব ধরণের অন্ধকার ও পশ্চাৎপদতা নির্মূলের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং ২০২৬年的 বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo