1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ইসরায়েলি বসতস্থাপনকারীদের মসজিদে আগুনের ঘটনা

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

অধিকৃত পশ্চিম তীরে পবিত্র রমজান মাসের মধ্যে একটি মসজিদে ভয়ংকর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে উগ্রপন্থী ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা। এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটে সোমবার সকালে (২৩ ফেব্রুয়ারি), যখন অন্তঃত মুসল্লিরা ফজরের ইসলামি নামাজের জন্য মসজিদে উপস্থিত ছিলেন। ফিলিস্তিনিরা বলছেন, এই হামলায় মসজিদের দেয়ালে মহানবী (সা.)-কে অবমাননা করে বর্ণবাদী স্লোগান লিখে দেয়া হয়।

খবর অনুসারে, ফিলিস্তিনি সংস্থা ‘ওয়াফা’ জানায়, পশ্চিম তীরের নাবলুসের নিকটবর্তী সররা ও তাল শহরের মাঝামাঝি অবস্থিত ‘আবু বকর আস-সিদ্দিক’ মসজিদে এই হামলা হয়। হামলার সময়, ধোঁয়া ও আগুনের অদ্ভুত আলামত দেখতে পান মুসল্লিরা। মসজিদের প্রবেশপথের কাঁচ ভেঙে যায় এবং তার উপর পোড়া দাগ দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দা মুনির রামদান বলেন, “আমি দরজা খুলে দেখিন, তখন দেখলাম পুরো মসজিদে আগুন জ্বলছে এবং জানালার কাঁচ ভাঙা অবস্থায় রয়েছে।” তিনি আরও জানান, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, দুই ব্যক্তি পেট্রোল ও স্প্রে পেইন্ট নিয়ে মসজিদের দিকে এগিয়ে এসে কিছুক্ষণ পর পালিয়ে যায়।

হামলাকারীরা দেয়ালে ‘প্রতিশোধ’ ও ‘প্রাইস ট্যাগ’ শব্দগুলো লিখে রেখে যায়। এই ‘প্রাইস ট্যাগ’ শব্দটি সাধারণত কট্টরপন্থী ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের উপর হামলার সময় ব্যবহার করে। স্থানীয় বাসিন্দা সালেম ইশতায়েহ বলেন, “তারা আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাস এবং ইসলামকে আঘাত করার জন্য এই ধরনের উস্কানি দিচ্ছে, বিশেষ করে রমজান মাসে।”

পশ্চিম তীরের বিভিন্ন মসজিদে ইসরায়েলি হামলার ঘটনাও চরম বেড়ে গেছে। গত এক বছরে কমপক্ষে ৪৫টি মসজিদে হামলা চালানো হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলি আক্রমণ শুরুর পর থেকে পশ্চিম তীরে সহিংসতা আরও বেড়েছে। জাতিসংঘের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানা যায়, এই সময়ের মধ্যে পশ্চিম তীরে প্রায় ১,০৯৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে বহুই শিশু ও নারী রয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল এক প্রতিবেদনে মন্তব্য করে বলেছে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি পদ্ধতিগত বলপ্রয়োগ ও উচ্ছেদের নীতি ‘জাতিগত নিধন’ ও ‘অপরাধের’ পর্যায়ে পড়ে। ইসরায়েলি সেনা ও পুলিশ জানিয়েছে, তারা এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং সন্দেহভাজনদের খুঁজছে। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলি বলছে, এই হামলার পেছনে বেশি কিছু ক্ষেত্রে সরাসরি ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর অংশ নেওয়া বা সহায়তা থাকলেও সেখানে সুকৌশলে মদদ দেওয়া হচ্ছে। জাতিসংঘের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, অনেক সময় এই হামলা চালানো হয় দখল ও দমন-পীড়নের অংশ হিসেবে।

সূত্র: আল-জাজিরা

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo