1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা

ইরানে আবার শুরু হয়েছে জেন-জি বিক্ষোভ

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ইরানে আবারও জেন-জি বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে, যদিও এই সময় দেশে পরমাণু প্রকল্প নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চলছে। রাজধানী তেহরানে গতকাল রোববার দ্বিতীয় দিন ধরে চলে চলমান এই বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মিছিল। সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণে এই আন্দোলন আরও জোরদার হয়ে উঠছে।

একটি প্রতিবেদনে এএফপি জানিয়েছে, দীর্ঘ ডিসেম্বর-জানুয়ারি বিক্ষোভের চাপে নিহত মানুষের স্মরণে এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি নিয়ে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু করে তরুণ প্রজন্মের অংশ। সেই আন্দোলনের পাল্টায় সরকারও পক্ষ নিয়ে মিছিল ও সমাবেশ করে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

ফার্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে শরিফ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন আন্দোলনের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শিক্ষার্থীরা পতাকা হাতে নানা স্লোগান দিচ্ছেন এবং রাজতন্ত্র ফেরানোর দাবিও উপস্থিত করছে।

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দিকে তাকালে দেখা যায়, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ফলে ইরানের অর্থনীতি ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশের মুদ্রা ইরানি রিয়াল এখন বিশ্বের অন্যতম দুর্বল মুদ্রা। অর্থনৈতিক চাপের কারণে জীবনে দুর্দশা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার প্রতিবাদে ডিসেম্বরের শেষে ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকরা আন্দোলনে নামে। কিন্তু ঈর্ষাকরভাবে, এই আন্দোলন দ্রুত সরকারবিরোধী প্রবণতায় পরিণত হয় এবং দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

প্রথম দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই আন্দোলনে সমর্থন জানান এবং ইরানে সামরিক পদক্ষেপেরও ইঙ্গিত দেন। তবে দ্রুত তিনি নজর দেন- ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন হুমকি দিতে। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এই ব্যাপারে আলোচনা শুরু হলেও, এর মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভকে কঠোর দমন করে চলে ইরানের সরকার। সরকারি সূত্র বলছে, পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে মারা গেছে প্রায় ৩ হাজারের বেশি মানুষ। অন্য একটি মানবাধিকার সংস্থা বলছে, নিহতের সংখ্যা এই চেয়ে অনেক বেশি। তবে, বিভিন্ন সূত্রের নিজেদের মতে, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে প্রায় ১৫,০০০ মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo