1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

জুলাই গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ডরা: জয় ও পলক

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে স্বাধীনতাযুদ্ধের পর সবচেয়ে বর্বর ২০০৪ সালের জুলাই মাসের গণহত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এর আগে, এই ট্রগারির সময়ে, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে নিরীহ মানুষের উপর হত্যাযজ্ঞ চালানোর জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রসিকিউটররা জয় ও পলকের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনের সময়, রাজনীতির অন্ধকারে কিছু ব্যক্তি ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়ে গণহত্যার পেছনে নেপথ্য পরিকল্পনায় সক্রিয় ছিলেন। এর মধ্যে অন্যতম হলেন—সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলক, কারণ তারা দুজনেই তখন আইসিটির দায়িত্বে ছিলেন। তারা এই সময়ে সাধারণ মানুষের সংবাদ ও যোগাযোগের মাধ্যম বন্ধ করে দিয়ে গণহত্যার পরিকল্পনায় সরাসরি সহযোগিতা করেছিলেন।”

তিনি আরও যোগ করেন, “গণহত্যার উপর সহযোগিতা ও পরিকল্পনাতে অংশ নেওয়ার অভিযোগে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সঙ্গে পলক শলাপরামর্শ করেছিলেন। তারা বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করে ঘটনাটিকে আড়াল করার চেষ্টা করেন। আমরা এসব সত্যতা আমাদের প্রমাণাদি নিয়ে আদালতে উপস্থাপন করেছি।

প্রসিকিউটর আরও বলেন, “আমরা দেখেছি কিভাবে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে বিশ্ববাসীর কাছ থেকে ঘটনার খবর এড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। পাশাপাশি, আসামিরা এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন। এসব তথ্য প্রমাণ হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে, যার ভিত্তিতে আজকের সূচনা বক্তব্য প্রদান করা হয়েছে।”

তিনি নিশ্চিত করেন, এই মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo