1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় ঈদযাত্রায় ৩ দিনে পদ্মা সেতুতে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকার টোল আদায় নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা: জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে নামাজ পড়বেন

পাকিস্তানের বিশ্বকাপ অংশগ্রহণে অনিশ্চয়তা — সিদ্ধান্ত শিগগিরই আসবে

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ পাকিস্তান খেলবে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি বলেছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) অথবা সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) আসতে পারে।

পটভূমি হিসেবে উল্লেখ্য: বাংলাদেশ নিরাপত্তা আরও ভেবে ভারতে ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান এই সিদ্ধান্তকে অনصفমূলক ও দ্বিমুখী নীতির উদাহরণ বলে মনে করছে এবং পিসিবি এখন বাংলাদেশের পক্ষে موقف নেয়া এবং এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

‘টেলিকম এশিয়া স্পোর্ট’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান কার্যত ‘অপেক্ষার কৌশল’ অবলম্বন করছে। সম্ভাব্য পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা প্রথম দুই ম্যাচ (৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে এবং ১০ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে) খেলবে ও জয়ের মাধ্যমে সুপার এইটে যাওয়ার আশা রাখবে, আর এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে ভারতের বিরুদ্ধে নির্দেশাহীন বা বয়কটের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাতে পারে।

এমনকী পিসিবি আইসিসিকে টুর্নামেন্ট চলাকালীন ধরনের প্রতিবাদ জানাতে একটি চিঠি পাঠানোর কথা বিবেচনা করছে। সম্ভাব্য প্রতিবাদের দৃষ্টান্ত হিসেবে বলা হচ্ছে — খেলোয়াড়রা কালো আর্মব্যান্ড পরে খেলা, ভারতের বিপক্ষে অংশ না নেওয়া এবং জয়গুলো বাংলাদেশ ও নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতি উৎসর্গ করা।

গত সোমবার পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গেও বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, সব বিকল্প খোলা রেখেই সমাধান করা হবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের ওপর নির্ভর করবে; নকভি বলেন, সরকার যা বলবে, তা মেনে চলা হবে।

আইসিসি ইতোমধ্যেই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে — যদি কোনো দল রাজ্য বা টুর্নামেন্টের নিয়ম ভঙ্গ করে বয়কট করে, তা হলে সাসপেনশন, জরিমানা বা অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। বিশেষত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ থেকে বড় সম্প্রচার ও বাণিজ্যিক রাজস্ব আসে; বয়কট হলে ক্ষতিপূরণ দাবি বা আর্থিক চাপও উঠতে পারে।

আইসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশকে তারা নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারত-ভিত্তিক ম্যাচ না খেলার বিচার পর্যাপ্ত মনে করেনি এবং বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। পাকিস্তানের হস্তক্ষেপকে কিছু পর্যবেক্ষক অনধিকারপ্রবেশ বা অপ্রয়োজনীয় বলে মন্তব্য করেছেন, কারণ সরাসরি সম্পর্ক সূত্রপাত কম। তবে পাকিস্তান আইসিসির দ্বিমুখী নীতিকেই প্রশ্ন তুলছে — তারা বলছে অতীতে নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভেন্যু পরিবর্তন করা হয়েছে বা বিশেষ রীতিনীতি মেনে নেওয়া হয়েছে, সে তুলনায় এখন কেন ভিন্ন আচরণ করা হচ্ছে তা ব্যাখ্যার দাবি করছে।

পরিস্থিতি এখনও ঝুলেই আছে। কেবল ভারত ম্যাচ বয়কট করলে পাকিস্তানকে নৈতিক প্রতিবাদ করার সুযোগ থাকবে এবং বড় ধরনের শাস্তি এড়ানোও সম্ভব হতে পারে; কিন্তু পুরো টুর্নামেন্ট থেকে সরে গেলে ক্রিকেটে দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব ও কড়াকড়ি অপেক্ষা করতে পারে। ক্রিকেটপ্রেমীরা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন পাকিস্তানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের প্রতীক্ষায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo