1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

ভারতে বিমানের দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীসহ ৪ জন নিহত

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার বারামতী বিমানবন্দরে একটি মারাত্মক বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার সময় উড়োজাহাজটি অবতরণ করার সঙ্গে সঙ্গেই এ দুর্ঘটনা ঘটে। অজিত পাওয়ার মহারাষ্ট্রের বিশিষ্ট প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শরদ পাওয়ারের ভাতিজা।

উড়োজাহাজটিতে আরও চারজন যাত্রী ছিলেন, וכל কোনটাই নিশ্চিত হওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত। সূত্র অনুযায়ী, উড়োজাহাজে মোট ছয় জন ব্যক্তি ছিলেন—বয়স ৬৬ বছর বয়সী অজিত পাওয়ার, তাঁর পিএসও, একজন সহকারী ও দু’জন ক্রু সদস্য।

দুর্ঘটনার পর উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায়, যা দ্রুত ছড়াতে শুরু করে। উদ্ধারকার্য চালাতে দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং আগুন নেভানোর জন্য প্রচেষ্টা চালায়। স্থানীয় পুলিশও দ্রুত উদ্ধারকাজে জড়িত হয়।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মহারাষ্ট্রের ‘জোট’ সরকারের সদস্য অজিত পাওয়ার জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী心理 প্রচারের জন্য মুম্বাই থেকে বারামতী যাচ্ছিলেন। তিনি একটি ব্যক্তিগত লিয়ারজেট-৪৫ বিমানে ছিলেন, যা ভিএসআর ভেঞ্চারস দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।

অজিত পাওয়ার সকালে ৮টার দিকে মুম্বাই থেকে রওনা হন। তাঁর লক্ষ্য ছিল বারামতিতে চারটি নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দেওয়া। এ দুর্ঘটনার ফলে এখন উদ্ধার অভিযান চলছে, যার মধ্যে আহতদের সহায়তা ও ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

অজিত পাওয়ার জন্ম ১৯৫৯ সালের ২২ জুলাই মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর জেলার দেওলালি প্রভারায়। তাঁর বাবা অনন্তরাও পাওয়ার মহারাষ্ট্রের মহাখ্যাত রাজকমল স্টুডিওতে কাজ করতেন। বাবার মৃত্যু হলে তাঁর শিক্ষাজীবন বন্ধ হয়ে যায়, তবে তিনি মহারাষ্ট্র রাজ্য বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষা গ্রহণ করেন।

১৯৮২ সালে, মাত্র ২৩ বছর বয়সে, তিনি একটি সমবায় চিনি কারখানার বোর্ডে নির্বাচিত হন। তখন তাঁর চাচা শরদ পাওয়ার মহারাষ্ট্রের একজন প্রতিষ্ঠিত কংগ্রেস নেতা হিসেবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo