1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গভর্নরের আহ্বান: সরকারি ফি-চার্জ আদায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহার করুন বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত তিস্তা বিপৎসীমার কাছাকাছি: চার জেলায় পানিবন্দি ৬ হাজার পরিবার আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ

নির্বাচনি কর্মকর্তারা গণভোটে পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারণা চালাতে পারবেন না: ইসি

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সমবেত গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’—কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না। তবে ভোটারদের ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা যাবে।

কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বলেন, রিটার্নিং অফিসার কমিশনের লোক; মাঠ পর্যায়ে রিটার্নিং অফিসার, ভ্রাম্যমাণ আদালত, ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি—সবগুলো আসনে কাজ করছে। জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজসহ বিচারকরা তাত্ক্ষণিকভাবে অভিযোগ গ্রহণ ও বিচার করছেন। মোবাইল কোর্ট নিয়মিত চালু আছে এবং প্রতিদিনই কমিশনে রিপোর্ট আসছে; প্রতিদিনই ন্যূনতম ৫০–৭০টি মামলা দায়ের হচ্ছে, কোথাও জরিমানা হচ্ছেনা কোথাও শোকজ করা হচ্ছে—মোটকথা কার্যক্রম জোরালোভাবে চলছে।

গণভোট সংক্রান্ত নির্দেশনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের বক্তব্য হচ্ছে—we are encouraging voter participation. নির্বাচনি কাজে যারা নিয়োজিত, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষের হয়ে কাজ করবে না। রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) ও অন্যান্য নির্বাহী কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য—তারা প্রচারণা করতে পারবেন না; পক্ষে-বিপক্ষে যেতে পারবেন না।’

সরকারি কর্মকর্তারা যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা চালান, সেটা কতটা আইনসঙ্গত—এ প্রশ্নে কমিশনার মন্তব্য করতে চাননি। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ নই।

সিসিটিভি সংক্রান্ত আপডেট এখনও কমিশন পায়নি। তিনি জানান, মাঠ পর্যায়ে কোন কোন কেন্দ্রে সিসিটিভি সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে এবং কোথায় দেওয়া হয়নি তার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে; সময় থাকা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় তথ্য এসে গেলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে।

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি সরলভাবে আবেদন রাখেন—সবাই ভোট দিন, আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন। নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করেছে যে ভোট পর্যবেক্ষণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ, আনসারসহ সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা ইউনিট ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে, যাতে ভোটার নিরাপদে ভোট কেন্দ্রে এসে সুষ্ঠুভাবে ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরতে পারে এবং ভোটপরবর্তী সময়ে কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটে।

জাতীয় পার্টি বা অন্য কোনো দলের নিষেধাজ্ঞা বিষয়ক কোনো সরকারি আদেশ কমিশনের কাছে পৌঁছায়নি বলেও তিনি জানান। তাই কমিশন মনে করে, যারা নিবন্ধিত দল এবং যাদের মনোনয়নপত্র গৃহীত হয়েছে, তারা ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

রিটার্নিং অফিসাররা প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার গ্রহণ করিয়েছেন—কমিশন বলছে, এ অঙ্গীকার কার্যকর হয়েছে এবং এর কারণে চলমান নির্বাচনী পরিবেশ তুলনামূলকভাবে পরিষ্কার ও শান্তিপূর্ণ রয়েছে। তিনি যোগ করেন, অতীতের তুলনায় আচরণবিধি রক্ষা প্রায় শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে এবং সামগ্রিকভাবে নির্বাচনি পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত ভাল রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo