1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

গভর্নর বললেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে, বিনিয়োগ বাড়বে

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আবার নতুন দিশা পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি জানান, দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, যা বিনিয়োগের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। এর ফলে চলতি অর্থবছরে দেশের রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)-এর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

গভর্নর উল্লেখ করেন, দেশে তারল্য সংকট ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। আগে যেমন অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসকষ্ট হত, তেমনি তারল্যের অভাবও অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করেছিল। তবে এখন সেই চাপ হ্রাস পেতে শুরু করেছে। ব্যাংকগুলো অনেক আগে ঝুঁকি মেনে বেশি মুনাফা করছে, যা এখন পরিবর্তন হওয়া দরকার। এখন ব্যাংকগুলোর জন্য কঠোর পরিশ্রম ও সঠিক ঋণগ্রহীতা খুঁজে বের করার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

আহসান এইচ মনসুর আরো জানান, দেশের বৈদেশিক খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি। বিশ্ববাজারে জ্বালানি এবং অন্যান্য পণ্যের দাম কমায় আমদানিতে চাপ কমে এসেছে।

সুদের হার নিয়ে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে এটি সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে বিনিময় হার স্থিতিশীল রয়েছে। টাকাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার বিক্রির পাশাপাশি টাকা প্রবর্তনে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার কিনেছে, যা আইএমএফের সহায়তার থেকেও বেশি। এছাড়াও বাজারে ৪৫ বিলিয়ন টাকা ছাড় করা হয়েছে, যা তারল্য বাড়িয়েছে।

গভর্নর মনে করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক ধাক্কা কিছুটা প্রভাব ফেলেছে ব্যবসায়-আয়োজনে। তবে যাদের টিকে থাকার ক্ষমতা রয়েছে, তারা সহায়তা পেয়েছে। কোনও গোষ্ঠী বা দল ভিত্তিক বৈষম্য হয় নি।

তিনি সতর্ক করে বলেন, শিগগিরিই সুদের হার কমানো উচিত নয়, কারণ এতে বৈদেশিক লেনদেন ও বিনিময় হার বিশৃঙ্খল হতে পারে। মূল্যস্ফীতি এখনও ৮ শতাংশের ওপরে রয়েছে এবং সেটি ৫ শতাংশের নিচে নামানোর লক্ষ্য রয়েছে। এর জন্য কিছু সময় লাগবে। মূল্যস্ফীতি ১ শতাংশ কমলেই নীতিগত সুদের হার কমানো হবে। ইতিমধ্যে বৃহৎ ঋণগ্রহীতাদের জন্য সুদের হার প্রায় ২ শতাংশ কমানো হয়েছে।

আন্তর্জাতিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিদিন উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ডেটা বিশ্লেষণ করছে। এর মধ্যে রয়েছে বিনিময় হার, সুদের হার, রিজার্ভ, রেমিট্যান্স, এবং আমদানি-রপ্তানির তথ্য। এখন পর্যন্ত গত মাসের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সোমবার তা ১৭০ মিলিয়নেরও বেশি ডলার। এই বিশ্লেষণ অর্থনীতির তুলনা ও অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি রহমান। এছাড়া আরও বক্তব্য দেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার জেমস গোল্ডম্যান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ, এবং পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার প্রমুখ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo