1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গভর্নরের আহ্বান: সরকারি ফি-চার্জ আদায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহার করুন বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত তিস্তা বিপৎসীমার কাছাকাছি: চার জেলায় পানিবন্দি ৬ হাজার পরিবার আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ

বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬

শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশের আসন্ন উন্নয়নকে সমর্থন ও গভীর বন্ধনকে পুনঃপ্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। তিনি আশ্বাস দেন, ভারত একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপ্রিয়, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে অব্যাহতভাবে সমর্থন করবে। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের এক শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রণয় ভার্মা আরো বলেন, ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি, সদ্য স্বাধীন ভারতের জনগণ নিজেদের জন্য একটি নতুন সংবিধান তৈরি করেন এবং দেশটিকে একটি সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন। তারা সকলের জন্য ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা, সমতা এবং মর্যাদার অঙ্গীকার দ্বারা আবদ্ধ হন। এর পর থেকেই বিগত ৭৬ বছরে ভারত এক দরিদ্র দেশ থেকে বৈশ্বিক গণতন্ত্রের অন্যতম বৃহৎ শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, যেখানে আধুনিকতা, আত্মবিশ্বাস ও অগ্রগামিতা স্পষ্ট। আজ বিশ্বের অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, বৈশ্বিক সমস্যার সমাধানে অগ্রসর হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, এই যাত্রায় বাংলাদেশ ভারতের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় একত্রে যে ত্যাগ আর সংগ্রামের ইতিহাস গড়া হয়েছে, তা আজও আমাদের সম্পর্কের গভীরতা ও দৃঢ়তা অবিচ্ছিন্ন করে রেখেছে।

ভারতের এই কূটনীতিবিদ উল্লেখ করেন, সাহিত্য, সংগীত ও শিল্পকলার মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হচ্ছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে কাজী নজরুল ইসলাম— এ ধরনের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা দুই দেশের মধ্যে এক গভীর সত্তা স্থাপন করে দিয়েছেন। নৃত্য, নাটক ও চলচ্চিত্রের বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যও এই সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করে।

প্রণয় ভার্মা বলেন, আন্তর্জাতিক আর্থিক ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও ভারত ও বাংলাদেশের দ্রুত সমন্বয় সাধন করছে। আন্তঃসীমান্ত পাইপলাইন, বিদ্যুৎ সংযোগ লাইন এবং জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়ন এই সম্পর্কের শক্তিশালী দৃষ্টান্ত। এসব উদ্যোগ বাংলাদেশে তৈরি পোশাক ও ফার্মাসিউটিক্যালস শিল্পের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে, পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করে তুলছে।

তিনি ভবিষ্যতের জন্য উপসংহার টেনে বলেন, এই সফল অংশীদারিত্ব আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে, যেখানে স্বার্থে-সুবিধায়, টেকসই উন্নয়নে এবং সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত রয়েছে। টেকসই অর্থনীতি ও উদ্ভাবনীপ্রিয় তরুণ জনগোষ্ঠী দুই দেশের জন্য ভবিষ্যতের পথ সুগম করছে।

ভারতীয় হাইকমিশনার উল্লেখ করেন, যৌথ ডিজিটাল ইকোসিস্টেম, আঞ্চলিক মূল্য শৃঙ্খল ও জ্বালানি করিডোর নির্মাণের মাধ্যমে উভয় দেশের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে। পরিবেশগত স্থায়িত্ব, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা এবং উভয় দেশের বাস্তুতন্ত্রের সংরক্ষণে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

অবশেষে, তিনি আজকের এই ভারতীয় প্রজাতন্ত্র দিবসের উপলক্ষে বাংলাদেশিদের সঙ্গে এই সম্পর্কের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের এই বন্ধন একত্রে বিশ্বের জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি এবং অগ্রগতির পথ প্রশস্ত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন, যদিও ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় এ অংশীদারিত্ব শক্তিশালী হতে থাকবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo