1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

ঢালিউডের কিংবদন্তি ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬

ঢালিউডের প্রখ্যাত নায়ক ও নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ জীবনবোধ থেকে বিদায় করেছেন। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে ভুগে ৮২ বছর বয়সে আজ (সোমবার) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। তথ্য অনুযায়ী, ইলিয়াস জাভেদ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং গতবছরের এপ্রিলেও তিনি হাসপাতালের চিকিৎসা নিয়েছিলেন। কিছু দিন ধরে বাড়িতে শয্যাশায়ীভাবে চিকিৎসা চলছিল।

সংবাদমাধ্যমকে জানাচ্ছেন তার স্ত্রী ডলি চৌধুরী, আজ সকালে তাঁর স্বামীর শারীরিক অবস্থা হঠাৎ করেই মারাত্মকভাবে অবনতি ঘটে। বাড়িতে থাকা অবস্থায় চিকিৎসক এবং দুজন নার্স কয়েকদিন ধরে তাঁর পরিচর্যা করছিলেন। আজ সকালে নার্সরা জানান তাঁর শরীর ঠান্ডা হয়ে গেছে। এরপর অ্যাম্বুলেন্স ডেকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে পরিবারের সঙ্গে পাঞ্জাবে চলে গেলেও শেষ পর্যন্ত তিনি ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ী জিন্দেগি’ দিয়ে রুপালি পর্দায় তাঁর অভিনয়ের সূচনা। তবে ১৯৬৬ সালের ‘পায়েল’ ছবিতে শাবানার সঙ্গে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি বড়পর্দায় খ্যাতি পান; পরিচালক মুস্তাফিজই তাকে ‘জাভেদ’ নামটি দেন।

জাভেদ নৃত্য পরিচালক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন এবং পরে নায়ক হিসেবেও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। দর্শকের হৃদয়ে তিনি ‘ড্যানসিং হিরো’ হিসেবে বিশেষ স্থান করে নেন—সত্তরের ও আশির দশকে তাঁর নাচ-বলো ও অ্যাকশনের মেশানো অনবদ্য ধরনে কোটি দর্শক মুগ্ধ ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে জনপ্রিয় নায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পুরো ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন।

ইলিয়াস জাভেদের উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হলো: ‘নয়ী জিন্দেগি’, ‘পায়েল’, ‘মালেকা বানু’, ‘নিশান’, ‘পাপী শত্রু’, ‘রক্ত শপথ’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’, ‘কাজল রেখা’, ‘অনেক দিন আগে’, ‘আজও ভুলিনি’, ‘কঠোর’, ‘মা বাবা সন্তান’, ‘রাখাল রাজা’, ‘রসের বাইদানী’, ‘জীবন সঙ্গী’ ও ‘আব্দুল্লাহ’।

ইলিয়াস জাভেদের প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের এক অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন কঠোর রোগঝঞ্ঝাটের মধ্যে থেকেও তিনি সঙ্গীত ও নৃত্যের মাধ্যমে দর্শকদের আনন্দ দিয়েছেন—তার এই অবদান চলচ্চিত্রপ্রেমীদের স্মৃতিতে দীর্ঘদিন টিকে থাকবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo