1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গভর্নরের আহ্বান: সরকারি ফি-চার্জ আদায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহার করুন বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত তিস্তা বিপৎসীমার কাছাকাছি: চার জেলায় পানিবন্দি ৬ হাজার পরিবার আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ

বনশ্রীর স্কুলছাত্রী ফাতেমাকে প্রেমের জেরে হত্যার রহস্য

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬

রাজধানী ঢাকার বনশ্রীর দক্ষিণ অংশে অবস্থিত একটি বাসা থেকে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের মূল আসামী হিসেবে রেস্তোরাঁ কর্মী মিলন মল্লিককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। গ্রেফতারের পর সে স্বীকার করেছে যে, ফাতেমার সঙ্গে তার প্রেম ছিল, এবং এই প্রেমের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাদের। সেই দিন ফাতেমার বাবা বাড়িতে থাকছেন না জানলে মিলন বাসায় প্রবেশ করে তাকে পালিয়ে যেতে বলেন। কিন্তু ফাতেমা রাজি হয়নি। তার কারণ ছিল, সে জানিয়েছিল, মিলন তার বাবার রেস্তোরাঁর কর্মচারী আর সে মালিকের মেয়ে। সে তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে চায়নি। এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে মিলন তার গলাকেটে হত্যা করে। এরপর তিনি পালিয়ে যান।

পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিতে মিলন জানায়, হত্যার আগের রাতে ফাতেমা তাকে কথা দেয়, পরিবার গ্রামে গেলে তারা পালিয়ে যাবে। সেই অনুযায়ী, ঐ দিন সে বাসায় হাজির হয়। কালি সে তাকে তার সঙ্গে যেতে বলে, কিন্তু ফাতেমা রাজি হয়নি। তখন সে তাকে কটাক্ষ করে, জানিয়েছিল যে সে মালিকের মেয়ে, আর সে তার সাথে পালিয়ে যাবেনা। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে মিলন এই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটানো হয়। পরে সে পালিয়ে যান বাগেরহাট জেলার বড় সিংগা এলাকায়। তবে শেষ পর্যন্ত তার রক্ষা হয়নি।

অভিযোগে বলা হয়, শনিবার বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীয়ের এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ থেকে স্কুলছাত্রী ফাতেমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপরই রামপুরা থানায় একটি মামলা দায়ের হয়।

ফাতেমা আক্তার ছিলেন বনশ্রী রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রী। তার পরিবারের সাথে থাকতেন সেই বাসায়—মা, বাবা, ভাই ও বোন। তার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাইয়ে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo