1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

বনশ্রীর স্কুলছাত্রী ফাতেমাকে প্রেমের জেরে হত্যার রহস্য

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬

রাজধানী ঢাকার বনশ্রীর দক্ষিণ অংশে অবস্থিত একটি বাসা থেকে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের মূল আসামী হিসেবে রেস্তোরাঁ কর্মী মিলন মল্লিককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। গ্রেফতারের পর সে স্বীকার করেছে যে, ফাতেমার সঙ্গে তার প্রেম ছিল, এবং এই প্রেমের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাদের। সেই দিন ফাতেমার বাবা বাড়িতে থাকছেন না জানলে মিলন বাসায় প্রবেশ করে তাকে পালিয়ে যেতে বলেন। কিন্তু ফাতেমা রাজি হয়নি। তার কারণ ছিল, সে জানিয়েছিল, মিলন তার বাবার রেস্তোরাঁর কর্মচারী আর সে মালিকের মেয়ে। সে তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে চায়নি। এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে মিলন তার গলাকেটে হত্যা করে। এরপর তিনি পালিয়ে যান।

পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিতে মিলন জানায়, হত্যার আগের রাতে ফাতেমা তাকে কথা দেয়, পরিবার গ্রামে গেলে তারা পালিয়ে যাবে। সেই অনুযায়ী, ঐ দিন সে বাসায় হাজির হয়। কালি সে তাকে তার সঙ্গে যেতে বলে, কিন্তু ফাতেমা রাজি হয়নি। তখন সে তাকে কটাক্ষ করে, জানিয়েছিল যে সে মালিকের মেয়ে, আর সে তার সাথে পালিয়ে যাবেনা। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে মিলন এই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটানো হয়। পরে সে পালিয়ে যান বাগেরহাট জেলার বড় সিংগা এলাকায়। তবে শেষ পর্যন্ত তার রক্ষা হয়নি।

অভিযোগে বলা হয়, শনিবার বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীয়ের এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ থেকে স্কুলছাত্রী ফাতেমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপরই রামপুরা থানায় একটি মামলা দায়ের হয়।

ফাতেমা আক্তার ছিলেন বনশ্রী রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রী। তার পরিবারের সাথে থাকতেন সেই বাসায়—মা, বাবা, ভাই ও বোন। তার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাইয়ে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo