1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

বাংলাদেশ আমাদের জন্য সতর্কবার্তা: যোগী আদিত্যনাথ

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬

ভারতের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, জাতি, উপাসনা পদ্ধতি বা ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন আমাদের জন্য খুবই বিপজ্জনক এবং ধ্বংসের কারণ হতে পারে, ঠিক যেমনটি বর্তমানে বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে। তিনি এই বক্তব্য গতকাল শনিবার জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশ আমাদের জন্য এক শক্তিশালী সতর্কবার্তা, যেখানে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের কারণে সমাজে অনেকে পর্যুদস্ত হয় এবং সম্প্রীতি খর্ব হয়। ভারতের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রয়াগরাজে মাঘ মেলার এক অনুষ্ঠানে যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ঘটনায় কারো কিছু বলার প্রয়োজন নেই। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ভিন্নমত দমনে সক্রিয়, তারা হিন্দু সমাজ ও মনোভাবকে ভেঙে ফেলার জন্য সব শক্তি দিয়ে লড়ছে। কিন্তু বাংলাদেশের পরিস্থিতি দেখে মনে হয়, যেন তাদের মুখে ফেভিকল আর টেপ লাগানো হয়েছে। এই বিষয়টি আমাদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা।’

তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা সমাজকে বিভক্ত করে তারা কখনোই মানুষের শুভেচ্ছা অর্জন করতে পারে না। যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘যখন আমি ক্ষমতায় ছিলাম, তখন এই ব্যক্তিরা নিজের পরিবারের বাইরে কিছু ভাবত না। তারা আবার নানা স্লোগান দেবে, কিন্তু সুযোগ পেলে সেভাবে কাজ করবে।’

মাথা তুলে তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যাতে তাদের সেই সব কাজের পুনরাবৃত্তি না হয়। ডাবল-ইঞ্জিন সরকার সবসময় সনাতন ধর্মের শক্তি বৃদ্ধির জন্য পাশে থাকবে। বিভাজনকারীদের কখনোই আমাদের দুর্বল করতে দেওয়া হবে না। যদি আমরা এই সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাই, ভবিষ্যৎ হবে সনাতন ধর্মের। যেমন রামমন্দিরের পতাকা সারা বিশ্বে উড়ছে, তেমনি সনাতন পতাকা উঠবে বাংলাদেশেও; তখন কোনো দমটি সাহস করবে না যেন দুর্বল কিংবা দলিত হিন্দুদের ওপর আঘাত হানার।’

তিনি আরও দাবি করেন, সন্ন্যাসী এবং সাধুরা সমাজের ঐক্য সৃষ্টি করেন। তাঁর কথায়, ‘অযোধ্যায় বিশাল রাম মন্দির নির্মাণের পেছনে রয়েছে শ্রদ্ধেয় সাধু-সন্তদের ঐক্য। ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের পর দেশ অনেক নেতা দেখেছে, কিন্তু অযোধ্যার মূল ভাবনা ছিল রাম লাল্লা পুনঃপ্রতিষ্ঠার। এই আবেগকে বাস্তবে রূপদান করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo