1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

জাতীয় পার্টির আশা: আসন্ন নির্বাচনে ৭০ আসনে ভালো ফলের সম্ভাবনা

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও ন্যায্যভাবে অনুষ্ঠিত হলে জাতীয় পার্টি ৪০ থেকে ৭০টি আসনে ভালো ফলের প্রত্যাশা করছে। দলটির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী এই আশা ব্যক্ত করেন আজ রবিবার (১১ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানির পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে।

শামীম হায়দার জানান, গতকাল তারা ১৩ প্রার্থী মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। এর মধ্যে ১১ জনের আপিল গ্রহণ করা হয়েছে, দুজনের নথি নামঞ্জুর হওয়ায় তারা উচ্চ আদালতে যাবেন। এছাড়া, কুমিল্লা-১ আসনের সৈয়দ মোহাম্মদ ইফতেকার আহসান ও বগুড়া-২ আসনের মো. শরিফুল ইসলাম জিন্নার আপিলও গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আজ চারটি এবং আগামীকাল ছয় বা সাতটি আপিলের শুনানি হবে। আপিল ট্রাইব্যুনাল কারিগরি ত্রুটিগুলোর জন্য সংশোধনের সুযোগ দিচ্ছে, ফলে অনেক প্রার্থী নির্বাচনে ফিরে আসার সুযোগ পাচ্ছেন।

শামীম হায়দার বলেন, ১২ থেকে ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের কিছু এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে অনেক প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি। অতীতে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ছোটখাটো ভুলের জন্য সংশোধনের সুযোগ দিলেও এবার তারা তা করেননি। ভয় ও ট্যাগিংয়ের কারণে তারা ইচ্ছেমতো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আইনশৃঙ্খলার মূল সমস্যা ঢাকা ও কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ। যদি প্রশাসন দৃঢ়তা না দেখায়, তাহলে নির্বাচনের মান নিচে নামতে পারে। বগুড়া জেলা পার্টি কার্যালয় দখলের ঘটনা নজিরবিহীন, যেখানে প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে এবং উল্টো মিথ্যা জিডি করা হয়েছে। এ জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন।

শামীম হায়দার বলেন, বর্তমানে আইনশৃঙ্খলার অবস্থা মূলত ঢাকা ও কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকলেও, কোথাও কোনো বিরূপ ঘটনা ঘটলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারছে না। তাই ব্যাপক সেনা ও পুলিশ মোতায়েন ও প্রশাসনের দৃঢ়তা অপরিহার্য, অন্যতায় মানহীন বা অবাধ নির্বাচন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জাতীয় পার্টির সংগঠনের বিভাজন প্রসঙ্গে তিনি জানিয়ে বলেছেন, দলটি নানা বিভক্তি সত্ত্বেও মূল অংশটি জিএম কাদেরের নেতৃত্বে একসঙ্গে থাকায় শক্তিশালী রয়েছে। দলটি ২৪৪টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল, এর মধ্যে প্রায় ২০০টি বৈধ হয়েছে। আপিলের পর আরও ২০ থেকে ২৫টি আসনে প্রার্থী যোগ হতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এর ফলে দলটি ২২০ থেকে ২৪০টি আসনে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

মহাসচিব বলেন, ভোটের মাঠ এখন খুবই পরিবর্তনশীল ও গতিশীল। যদি সবদলকে সাম্য ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয় এবং সুষ্ঠু নির্বাচন সবার জন্য নির্বিঘ্ন হয়, তাহলে জাতীয় পার্টি ৪০ থেকে ৭০টি আসনে ভালো ফল করতে পারে। এখন রাজনৈতিক আলোচনা ও সমঝোতার সময়। নির্বাচন কমিশন, প্রধান উপদেষ্টা বা বড় রাজনৈতিক দলগুলো উদ্যোগ নিয়ে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করাই এখন মূল লক্ষ্য। অন্যথায়, নির্বাচনের পর রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo