1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

গাজায় চিকিৎসার অভাবে রোগীদের করুণ মৃত্যুর শঙ্কা

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬

গাজায় ইসরায়েলি অবরোধ এবং আগ্রাসনের কারণে চিকিৎসা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে, যার ফলে ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুহার যুদ্ধের পূর্ব সময়ের তুলনায় তিনগুণ বেড়ে গেছে। গাজার একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতাল ‘টার্কিশ-প্যালেস্টাইনিয়ান ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল’ ইসরায়েলি বর্গাযুদ্ধে ধ্বংসের মুখে থাকায় প্রায় ১১ হাজার রোগী এখন কোনো চিকিৎসা সেবা না পেয়ে মৃত্যুর দণ্ডক্ষেতে দাঁড়িয়ে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গাজা থেকে রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, পাশাপাশি কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির মতো জরুরি ওষুধের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এর ফলে, গাজায় এখন ক্যানসার শনাক্ত হওয়া মানেই মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার সমান। একজন ক্যান্সার চিকিৎসক মোহাম্মদ আবু নাদা বলেন, তারা চিকিৎসার সমস্ত সরঞ্জাম এবং সক্ষমতা হারিয়েছেন। বর্তমানে তারা নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে স্থানান্তরিত হলেও সেখানে কোন নির্ণয়যন্ত্র বা কেমোথেরাপির ওষুধ নেই। তিনি আক্ষেপে বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তির দোহাই দিয়ে কিছু বাণিজ্যিক পণ্য যেমন চকোলেট, চিপস বা বাদাম প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও, ক্যানসার বা দীর্ঘমেয়াদি রোগের ওষুধ কোনোভাবেই প্রবেশ করতে দিচ্ছে না সরকার। তার মতে, এটা স্পষ্ট যে, এটি কেবল প্রচারণামূলক কৌশল। বর্তমানে গাজায় ক্যানসার চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ওষুধ ও প্রোটোকল সম্পূর্ণভাবে অনুপস্থিত। মানবিক এই বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হানি নাঈম নামের এক রোগী জানিয়েছেন, তিনি ছয় বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে আসছেন। আগে পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমে চিকিৎসা নিতেন, কিন্তু এখন গাজায় আটকা পড়ে আছেন এবং রেডিওথেরাপি পাচ্ছেন না। মোহাম্মদ আবু নাদা জানান, প্রতিদিন খান ইউনিস এলাকায় দু’ থেকে তিন জন ক্যানসার রোগী মারা যাচ্ছেন। ব্যথানাশক ওষুধের তীব্র সংকটের কারণে এখন মারাত্মক অসুস্থ রোগীদের ব্যথা উপশম করাও সম্ভব নয়। বর্তমানে তিন হাজার ২৫০ জন রোগীর বিদেশে চিকিৎসার দরকার থাকলেও রাফাহ সীমান্ত বন্ধ থাকায় এবং ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা গাজা থেকে বের হতে পারছেন না। চিকিৎসকরা বলছেন, গাজায় ক্যানসার চিকিৎসা প্রায় ৫০ বছর পুরোনো অবস্থায় ফিরে গেছে। সারা শরীরে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়লেও প্রতিরোধের কোনও উপায় নেই। অনেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গাজা ছেড়ে চলে গিয়েছেন, আর বেঁচে থাকা চিকিৎসকরা শুধুমাত্র চোখের জল ফেলে রোগীদের পাশে থাকছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বারবার চিকিৎসা সরঞ্জাম বা বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন জানালেও কোনো উন্নতি হয়নি। এই নিঃশব্দ ঘাতক ব্যাধি ও চিকিৎসার কৃত্রিম সংকট হাজারো ফিলিস্তিনির জীবনকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo