1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামালপুরে ভাঙা ড্রাম ব্রিজে পড়ে শতাধিক মানুষ, ৩ শিশু নিহত আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় ঈদযাত্রায় ৩ দিনে পদ্মা সেতুতে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকার টোল আদায় নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন

গাজায় চিকিৎসার অভাবে রোগীদের করুণ মৃত্যুর শঙ্কা

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬

গাজায় ইসরায়েলি অবরোধ এবং আগ্রাসনের কারণে চিকিৎসা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে, যার ফলে ক্যানসার আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুহার যুদ্ধের পূর্ব সময়ের তুলনায় তিনগুণ বেড়ে গেছে। গাজার একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতাল ‘টার্কিশ-প্যালেস্টাইনিয়ান ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল’ ইসরায়েলি বর্গাযুদ্ধে ধ্বংসের মুখে থাকায় প্রায় ১১ হাজার রোগী এখন কোনো চিকিৎসা সেবা না পেয়ে মৃত্যুর দণ্ডক্ষেতে দাঁড়িয়ে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গাজা থেকে রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, পাশাপাশি কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির মতো জরুরি ওষুধের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এর ফলে, গাজায় এখন ক্যানসার শনাক্ত হওয়া মানেই মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার সমান। একজন ক্যান্সার চিকিৎসক মোহাম্মদ আবু নাদা বলেন, তারা চিকিৎসার সমস্ত সরঞ্জাম এবং সক্ষমতা হারিয়েছেন। বর্তমানে তারা নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে স্থানান্তরিত হলেও সেখানে কোন নির্ণয়যন্ত্র বা কেমোথেরাপির ওষুধ নেই। তিনি আক্ষেপে বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তির দোহাই দিয়ে কিছু বাণিজ্যিক পণ্য যেমন চকোলেট, চিপস বা বাদাম প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও, ক্যানসার বা দীর্ঘমেয়াদি রোগের ওষুধ কোনোভাবেই প্রবেশ করতে দিচ্ছে না সরকার। তার মতে, এটা স্পষ্ট যে, এটি কেবল প্রচারণামূলক কৌশল। বর্তমানে গাজায় ক্যানসার চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ওষুধ ও প্রোটোকল সম্পূর্ণভাবে অনুপস্থিত। মানবিক এই বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হানি নাঈম নামের এক রোগী জানিয়েছেন, তিনি ছয় বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে আসছেন। আগে পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমে চিকিৎসা নিতেন, কিন্তু এখন গাজায় আটকা পড়ে আছেন এবং রেডিওথেরাপি পাচ্ছেন না। মোহাম্মদ আবু নাদা জানান, প্রতিদিন খান ইউনিস এলাকায় দু’ থেকে তিন জন ক্যানসার রোগী মারা যাচ্ছেন। ব্যথানাশক ওষুধের তীব্র সংকটের কারণে এখন মারাত্মক অসুস্থ রোগীদের ব্যথা উপশম করাও সম্ভব নয়। বর্তমানে তিন হাজার ২৫০ জন রোগীর বিদেশে চিকিৎসার দরকার থাকলেও রাফাহ সীমান্ত বন্ধ থাকায় এবং ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা গাজা থেকে বের হতে পারছেন না। চিকিৎসকরা বলছেন, গাজায় ক্যানসার চিকিৎসা প্রায় ৫০ বছর পুরোনো অবস্থায় ফিরে গেছে। সারা শরীরে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়লেও প্রতিরোধের কোনও উপায় নেই। অনেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গাজা ছেড়ে চলে গিয়েছেন, আর বেঁচে থাকা চিকিৎসকরা শুধুমাত্র চোখের জল ফেলে রোগীদের পাশে থাকছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বারবার চিকিৎসা সরঞ্জাম বা বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন জানালেও কোনো উন্নতি হয়নি। এই নিঃশব্দ ঘাতক ব্যাধি ও চিকিৎসার কৃত্রিম সংকট হাজারো ফিলিস্তিনির জীবনকে চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo