1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

গভীর সমুদ্রে গবেষণা বৃদ্ধি ও সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬

বঙ্গোপসাগরের গভীর তলদেশে প্লাস্টিকের উপস্থিতি ও জেলিফিশের অস্বাভাবিক আধিক্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্রভাগের এলাকাগুলো যেখানে স্থলভাগের সমান আকারের, সেখানে এই সমৃদ্ধ সম্পদগুলো পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারছি না। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম-সংক্রান্ত এক গবেষণা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। এই গবেষণা জরিপ ও প্রতিবেদনটি ‘আরভি ডক্টর ফ্রিডজফ ন্যানসেন’ নামে গবেষণা জাহাজের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। মূল উদ্দেশ্য ছিল বঙ্গোপসাগরের গভীর জলাশয়ে অবস্থিত জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত পরিস্থিতি যাচাই। এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে গত বছর ২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আটটি দেশের ২৫ জন বিজ্ঞানী অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে ১৩ জন বাংলাদেশি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেসের অধ্যাপক সায়েদুর রহমান চৌধুরী বৈঠকে গবেষণার মূল ফলাফল উপস্থাপন করেন। তিনি জানায়, গবেষণায় ৬৫টি নতুন জলজ প্রজাতির অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে, তবে সমুদ্রের পরিবেশে ভারসাম্যহীনতা স্পষ্ট। অধ্যাপক সায়েদুর বলেন, ‘বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রে জেলিফিশের আধিক্য খুবই বেড়ে গেছে, যা পরিবেশের অস্থিতিশীলতার লক্ষণ। ওভারফিশিংয়ের কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি, দুই হাজার মিটার গভীরতায়ও প্লাস্টিকের উপস্থিতি দেখা গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ২০১৮ সালের গবেষণার তুলনায় দেখেছে, বড় মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং কাছাকাছি দেখতে মাছের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। বৈঠকে জানানো হয়, গভীর সমুদ্রে ২৭০ থেকে ২৮০টি ট্রলার মাছ শিকার করছে, এর মধ্যে ৭০টি ট্রলার ‘সোনার’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘টার্গেটেড ফিশিং’ চালাচ্ছে। এই পদ্ধতিটি অত্যন্ত আগ্রাসী, যা বড় মাছ ধরা হলেও ক্ষুদ্র জেলেদের জন্য ক্ষতি। এ ব্যাপারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, ‘এ ধরনের টার্গেটেড ফিশিংয়ে বঙ্গোপসাগর মাছশূন্য হতে পারে। সরকার এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’ অন্যদিকে, গবেষণায় টুনা মাছের অগ্রগতি ও সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, সুন্দরবনের নিচে একটি ‘ফিশিং নার্সারি’ আবিষ্কৃত হয়েছে, যা সংরক্ষণের জন্য সরকার নির্দেশ দিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সামুদ্রিক সম্পদকে সম্পূর্ণভাবে কাজে লাগাতে পর্যাপ্ত গবেষণা ও নীতি প্রণয়নের প্রয়োজন। বৈঠকে আরো জানানো হয়, যুক্তরাজ্যের ‘রয়েল নেভি’ এর বহুমুখী সার্ভে ভেসেল ‘এইচএমএস এন্টারপ্রাইজ’ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন, যা সমুদ্র গবেষণায় শক্তি বাড়াবে। তিনি জাপান, ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের সঙ্গে যৌথ গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতাই অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচনে সক্ষম। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেস্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী ও মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo