1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত তিস্তা বিপৎসীমার কাছাকাছি: চার জেলায় পানিবন্দি ৬ হাজার পরিবার আগামী পাঁচ দিনে দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু

কারওয়ান বাজারে পুলিশ ও মোবাইল বিক্রেতাদের মধ্যে সংঘর্ষ

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পুলিশ ও মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যার কারণে এলাকাটি এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এনইআর (ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার) কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিভিন্ন দাবি তুলে অর্ধদিবসের কর্মসূচি পালন করছিলেন ব্যবসায়ীরা। সকাল থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে দেখা যায়, আন্দোলনকারীরা সড়ক অবরোধ করে অবস্থান করছেন। পুলিশ তাঁদের সরানোর জন্য এগিয়ে গেলে উভয় পক্ষের মাঝে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আশপাশের দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায় ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল ব্যবহার করে। পরে আন্দোলনকারীরা বাংলামোটর মোড়ের দিকে ফিরে যান এবং সড়কে আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জোড়ালি করে।

প্রতিবেদনটি লিখার সময় (দুপুর ২টা ১০ মিনিট) পরিস্থিতি এখনো থেমে থেমে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এর আগে, কারওয়ান বাজার মোড়ে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে থাকলে পুলিশ তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয় এবং লাঠিপেটা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জলকামান, রায়টকারী ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়।

জানা গেছে, এই আন্দোলনের মূল কারণ হলো এনইআর ব্যবস্থা চালুর প্রতিবাদ, বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মুক্তি ও অন্যান্য দাবি। মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি) সংগঠন এই কর্মসূচির ডাক দেয় এবং সারা দেশে সব মোবাইল ফোনের দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়।

অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে, যেখানে ব্যবসায়ীরা সড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ জানায়। পরে পুলিশ প্রথম দফায় লাঠিপেটা করে তাদের সরিয়ে দেয়। দিনভর বিভিন্ন সময়ে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠে, পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে, লাঠিপেটা করে এবং অসংখ্য ব্যবসায়ীকে আটক করে। কিছু ব্যবসায়ী শপিংমলের ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, নতুন এই ব্যবস্থা অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে সর্বস্তরের মোবাইল ফোন ব্যবহারে অনাধিকার হ্যান্ডসেটের ব্যবহার রোধে এনইআইআর চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইমিইআই নম্বর জাতীয় ডাটাবেজে যুক্ত হচ্ছে। তবে, এই নতুন পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছিলেন ব্যবসায়ীরা, যারা মনে করছেন এর ফলে তাদের ব্যবসায় ক্ষতি হবে এবং অনেক অনাধিকার হ্যান্ডসেট বাজারে আনা বন্ধ হয়ে যাবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo