1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

হাদির স্বপ্নের ইনসাফের বাংলাদেশ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বে না ওমর বিন হাদি

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫

শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে ভালোবেসে থাকলে, তার হত্যার বিচারের দাবি করলে, শাহবাগকে ফ্যাসিবাদমুক্ত ও ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করতে চাইলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তার বড় ভাই ওমর বিন হাদি। তিনি বলেন, আমি কখনো শহীদের ভাই হতে চাইনি, আমি চাইতাম রাজপথে বিপ্লবী ওসমান বিন হাদির পাশে থেকে এই দেশকে স্বৈরাচার ও আধিপত্যবাদ মুক্ত করে ইনসাফের দেশ গড়তে। যতদিন পর্যন্ত ইনসাফের বাংলাদেশ গঠন হয় না, আমি আন্দোলন থেকে সরে যাব না।최근 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে ইয়াদে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির শাহাদত উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম, মহাস্থান, অন্যান্য নেতৃবৃন্দসহ নানা পর্যায়ের নেতারা। দোয়া ও স্মৃতিচারণের সময় তার বড় ভাই ওমর বিন হাদি কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, আমি ওসমানের ভাই হিসেবে এখানে আসিনি, আমি ছিলেন তার সহযোদ্ধা। যখন হাদি গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন, আমি তার পাশে ছিলাম। ওসমান ডান পাশে বসে থাকাকালীন সময়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে সে আহত হয়। আমার এই ক্ষুদ্র ভাইয়ের জন্য আমরা রাজপথে নামিনি, তবে হাদির অসাধারণ সাহস ও মূল্যবোধ আমাদের অনুপ্রেরণা। ওসমান যখন জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন, তখন তাঁর সঙ্গে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা নিরাপত্তার জন্য উদ্বিগ্ন ছিলেন। তবুও তিনি বলতেন, আমার আল্লাহই আমাকে রক্ষা করবেন, আমি নিজের জীবন বিপদে ফেললেও দেশের জন্য লড়াই চালিয়ে যাব। তিনি বলতেন, ‘আমি যদি রবের ডাকে সাড়া দিয়ে চলে যাই, আপনারা আমার পরিবারকে দেখবেন। আমি সেটাই চেয়েছি।’ ওমর বিন হাদি আরও বলেন, আমি কখনো শহীদ ভাই হতে চাইনি, আমি চাইতাম বিপ্লবের পাশে থেকে এই দেশের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে। তিনি বলেন, আজ আমার ভাই চলে গেছেন। ওসমান জোহর নামাজ পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে ইন্তেকাল করেন। আমাদের পরিবার ও ইনকিলাব মঞ্চের ভাই-ব্রাদাররা এই দুঃখের সময়ে খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছেন, এখনও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। আমরা স্বীকার করি, এই সংগ্রাম এবং শহীদ ওসমানের আন্দোলন আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তিনি বলেন, আমরাও ওসমানের স্বপ্নের ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় নিজের সবকিছু ছাড়িয়ে যাব। আমরা কোনো পারিবারিক আর্থিক অনুদান চাই না, শুধু চাই আন্দোলন অব্যাহত থাকুক। ওসমান হাদির শাবাগে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওমর বিন হাদি বলেন, ওসমান শাহবাগে দাঁড়িয়ে বলতেন, এই শাহবাগ থেকে ফ্যাসিবাদ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে, এই স্থান বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে, যাতে এই দেশের স্বাধিকার ও গণতন্ত্র সফল হয়। তিনি মহান দোয়া ও প্রার্থনা করেন যে, হাদির স্ত্রীর, সন্তান ও পরিবারের জন্য সবাই দোয়া করবেন। আরও উল্লেখ করেন, ওসমানের ছোট বোন সম্পূর্ণভাবে অসহায় হয়ে পড়েছে, মানসিকভাবে দুর্বল। দেশপ্রেমে উদ্বুব্ব হওয়া এই পরিবারের সদস্যদের জন্য সবাই দোয়া কামনা করেন। শেষত, তিনি বলেন, এই সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজের সকল অংশকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, যেন এ দেশের যুবসমাজ সত্যিকার দেশপ্রেমে উদ্বেলিত হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo