1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

এশিয়া কাপ যুবদলে বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় জয়

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

অনূর্ধ্ব-১৯ যুব এশিয়া কাপের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বপ্নভ্রমণ শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। আফগানিস্তানকে হারিয়ে এই প্রতিযোগিতায় জয় সংগ্রামের ধারা শুরু করে বাংলাদেশি যুব ক্রিকেটাররা। আজ দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামেন তারা নেপালের বিপক্ষে। যেখানে আগে বল হাতে নেমে ১৩০ রানে পুরো নেপালি দলের ইনিংস গুটিয়ে দেন বাংলাদেশিরা। সহজ লক্ষ্য সামনে রেখে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশের যুবরা সফলভাবে ৭ উইকেটের জয় লাভ করে, বলের পরিস্থিতি অনুযায়ী ১৫১ বল হাতে রেখে ম্যাচটি সম্পন্ন করে।

দুবাইয়ের সেভেনস স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম। এই সিদ্ধান্তের সঠিকতা পুরোপুরি দেখিয়ে দেন বাংলাদেশের বোলাররা, যারা শুরু থেকে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখান।

নেপালের শুরুটা কিছুটা চনমনে হলেও খুব দ্রুতই ধসে পড়ে। দুই ওপেনার সাহিল প্যাটেল ও নিরাজ কুমার উদ্বোধনী জুটিতে ৪০ রান যোগ করেন। তবে ১৮ রান করা সাহিল প্যাটেলকে আউট করেন সাদ ইসলাম। এর পরে নেপালের ব্যাটসম্যানরা একের পর এক উইকেট হারাতে থাকেন। মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা বাংলাদেশের বলের সামনে দাঁড়াতে পারেননি, ৫৪ থেকে ৬১ রানের মধ্যে পাঁচজন ব্যাটসম্যান ফিরে যান। উল্লেখ্য, ৪০ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর মাত্র ৬১ রানে নেপাল দলের পাঁচটি উইকেট পড়ে যায়। ৮১ রানে ষষ্ঠ উইকেট পড়ার পরে দলটির ব্যাটিং ধস নামে, এবং স্কোর বাড়তেই থাকে উইকেট হারানোর ধারাবাহিকতা। অবশেষে, ১৩০ রানেই শেষ হয় নেপাল দলের ইনিংস। এই ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন অভিষেক তিওয়ারি। বাংলাদেশের বোলিংয়ে দারুণ পারফর্ম করেন সবুজ, যিনি নেন তিনটি উইকেট।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের ওপেনার জাওয়াদ আবরার শুরুতেই আক্রমণ চালান। তবে শুরুটা ভালো হলেও চতুর্থ ওভারেই হঠাৎ বিপর্যয় ঘটে। ওই ওভারে রিফাত বেগ ও তামিম আউট হয়ে যান। রিফাত ৭ বলে ৫ রান করেন এবং তামিম মাত্র ১ বল খেলেই ১ রান করে ফিরে যান।

এর পরে জাওয়াদের সঙ্গে জুটি বাঁধেন কলাম সিদ্দিকী অ্যালেন। এক প্রান্ত ধরে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করছিলেন জাওয়াদ, তার সাহসী খেলায় সহযোদ্ধা হিসেবে সফল হন কালাম। এই জুটির ধীরে ধীরে দলকে এগিয়ে নিয়ে আসে। চাপের মধ্যে থেকেও আত্মবিশ্বাস বজায় রেখে খেলছিলেন জাওয়াদ। তিনি তুলে নেন এক অসাধারণ ফিফটি। এই ওপেনার আগের ম্যাচেও জয়ী রূপে দেখিয়েছেন তার দক্ষতা। শেষের দিকে কালাম সিদ্দিকী অ্যালেন ৬৬ বলে ৩৪ রান করে আউট হন।

শেষ পর্যন্ত, অপরাজিত থাকেন জাওয়াদ আবরার, যিনি ৬৮ বলের মোকাবেলায় ৭০ রান করে অপরাজিত থাকেন। তার পারফরম্যান্সের সঙ্গে সহায়তা করেন রিজান হোসেন, ৮ বলে ১২ রান করেন। এই জয় নিয়ে বাংলাদেশ দল ১৫১ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটে ম্যাচ শেষ করে। এই জয়ে তারা দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের আসরে নিজেদের শক্তি দেখিয়ে দিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo