1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

বিজয় দিবসে মোদির পোষ্টে বাংলাদেশের নাম লেখা হয়নি

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে নয় মাসের লড়াইয়ের মাধ্যমে। এই যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ভারতের সেনাবাহিনীও যোগ দেয়, যার ফলে ১৬ ডিসেম্বর ভারতের জন্যও একটি বিজয় দিবস হিসেবে রূপ নেয়। তবে মূল বিজয় ছিল বাংলাদেশের, কারণ এ দিনেই বাংলাদেশের জনগণ তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা লাভ করে।

আজ ১৬ ডিসেম্বর, বাংলাদেশের বিজয় দিবসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় দিবসের কথা উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি এটি যেন শুধুমাত্র ভারতের বিজয়ের দিন হিসেবে তুলে ধরেছেন। তার পোস্টে একবারও বাংলাদেশের নাম আসে না। মোদি লিখেছেন, “বিজয় দিবসে আমরা আমাদের সাহসী সেনাদের স্মরণ করছি, যারা ১৯৭১ সালে তাদের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে ভারতের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেছিলেন। তাদের দৃঢ় মনোবল ও নিস্বার্থ সেবা আমাদের দেশের রক্ষা করেছে এবং আমাদের ইতিহাসে গর্বের মুহূর্ত সৃষ্টি করেছে। এই দিনটি তাদের সাহসকে সম্মান জানায় এবং তাদের অসাধারণ মনোবলকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এই বীরোচিত কর্মকাণ্ড ভারতীয় প্রজন্মের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকে।”

এর আগে ভারতের সেনাবাহিনীও বিজয় দিবসের পক্ষে একটি পোস্ট দেন, যেখানে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, “বিজয় দিবস শুধু একটি তারিখ নয়— এটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধের ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ও চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক।”

সেনারা আরও বলেন, “এটি ছিল সেই বিজয় যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা ও ভারতীয় সেনারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। এই বিজয় শুধু সামরিকই নয়, এটি ইতিহাসের ঐতিহাসিক গৌরবের একটি অংশ। ভারতের এই জয় বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূচনায় জাতিকে নতুন করে স্ববিরোধী করে তুলেছে এবং দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রে নতুন এক সূচনাকে চিহ্নিত করেছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও উল্লেখ করে, “পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে নানা নৃশংসতা, অত্যাচার ও নিষ্ঠুরতা চালিয়েছিল, এই যুদ্ধ সেই সমস্ত অবসান ঘটিয়েছে।”

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo