1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও, নভেম্বর মাসে তা আবার বাড়ে এবং ৮.২৯ শতাংশে দাঁড়ায়। এর আগে সেপ্টেম্বরের তুলনায় এই হার Slightly বেড়েছে। অক্টোবর মাসে এই হার ছিল ৮.১৭ শতাংশ, এবং গত বছর নভেম্বরে এটি ছিল ১১.৩৮ শতাংশ। আজ রোববার (৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) নভেম্বর মাসের মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে।

বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭.৩৬ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.০৮ শতাংশ। লক্ষ্যণীয় যে, টানা দুই মাস ধরে খাদ্য ওবাদির মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

গত তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি একটি বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে থেকে গেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০.০৩ শতাংশ।

বিবিএস উল্লেখ করেছে, গত নভেম্বরে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.০৪ শতাংশ। এর মানে হলো, মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য উদ্বেগের বিষয়।

মূল্যস্ফীতির হার কমে যাওয়া মানে অবশ্য জিনিসপত্রের দাম কমে যাওয়া নয়। এটি সাধারণত বোঝায়, কিছু মাসে দাম বৃদ্ধি কিছুটা ধীরগতি লাভ করেছে। অর্থাৎ, কিছু পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি সাময়িকভাবে কমে গেছে, যা অর্থনীতির বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের প্রভাব।

অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা জন্য দীর্ঘদিন ধরেই নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সুদের হার বাড়ানো, শুল্ক-কর কমানোসহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয় যাতে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে। তেল, আলু, পেঁয়াজ, ডিমসহ যেন দাম নিয়ন্ত্রণে থাকে, সে জন্য বাণিজ্য ও আমদানির ওপর নজর রাখা হয়। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির উত্থান-পতন কমানোর চেষ্টা চলছে, যেন দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা যায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo