1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

ভারতেও মাওবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে হতাহত ১৫ জন

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

ভারতের মধ্যাঞ্চলীয় ছত্তিশগড় রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদী বিদ্রোহীদের ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে। এই সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন মাওবাদী বিদ্রোহী এবং তিন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। ঘটনা ঘটে বুধবার, বিজাপুর-দান্তেওয়াড়া জেলার গভীর বনাঞ্চলে, যেখানে নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিদ্রোহীদের মধ্যে ব্যাপক লড়াই চলে। এএফপি’র প্রতিবেদনে জানানো হয়, ছত্তিশগড়ে মাওবাদী গেরিলাদের দমন অভিযানের অংশ হিসেবে এই সংঘর্ষ ঘটে। ফরাসি বার্তা সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, নিরাপত্তা বাহিনীর বড় ধরনের এই অভিযানে পুলিশের তিন কর্মকর্তা ও মোট ১৫ জন নিহত হয়েছেন। দুই সপ্তাহ আগে ক্ষেত্রটি আবারও চাঞ্চল্যকর হয়ে ওঠে, যখন সেখানে অভিযান চালিয়ে মাওবাদী শীর্ষ নেতা মাদভি হিদমা, তার স্ত্রী এবং আরও চারজন যোদ্ধাকে হত্যা করা হয়। নয়াদিল্লি সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে পুরোপুরি মাওবাদী বিদ্রোহ নির্মূলে দেশের সব ধরনের অভিযান চালানো হবে। যদিও, কিছু সময়ের জন্য গেরিলারা ছুপতি দেয়ার ঘোষণা দিয়েও সেনা অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুন্দররাজ পাট্টিলিঙ্গম বলেন, বিজাপুর-দান্তেওয়াড়া সীমান্তের সংঘর্ষস্থল থেকে ১২ মাওবাদী বিদ্রোহীর মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই সংঘর্ষে পুলিশ আরও তিন কর্মকর্তা নিহত ও দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ভারতের এই মাওবাদী বিদ্রোহ মূলত প্রান্তিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা করার দাবিতে শুরু হয়, যা চীনা বিপ্লবী নেতার মাও সেতুংয়ের ধারণা থেকে অনুপ্রাণিত। ১৯৬৭ সালে এ আন্দোলনের বেগ বাড়ে, যখন অনেক গ্রামবাসীর বিদ্রোহ শুরু হয়। ভারতে এই বিদ্রোহের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নকশাল নামের পরিচয়ও। ২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে এই বিদ্রোহ বেশ চূড়ায় উঠে আসে, তখন দেশের বেশির ভাগ এলাকা নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে যান প্রায় ২০ হাজার মাওবাদী যোদ্ধা। সম্প্রতি, দুই মাস আগে, মাওবাদীরা তাদের সশস্ত্র সংগ্রাম স্থগিত করার ঘোষণা দেয় এবং সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সম্মত হয়। এরই অংশ হিসেবে, গত কয়েক সপ্তাহে প্রায় ৩০০ দুর্বৃত্ত আত্মসমর্পণ করেন। আজকের এই সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িয়ে বিভিন্ন পক্ষের ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানি অস্বীকার করা যায় না। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ গত বছর সতর্ক করে বলেছিলেন, মাওবাদী বিদ্রোহীদের মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা জরুরি, তা না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo