1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:১২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

গাজা ইস্যুতে ট্রাম্পের প্রস্তাব পাস, রাশিয়ার কড়া সতর্কতা

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

গাজায় শান্তি ফেরানোর নামে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী (আইএসএফ) মোতায়েনের পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই প্রস্তাবকে রাশিয়া রাজনৈতিক ও উপনিবেশিক মনোভাবের প্রতিফলন বলে মনে করছে। গত ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ একটি রেজ্যুলেশন পাস করেছে, যেখানে গাজা অঞ্চলে এই আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠন করার প্রস্তাবনা রয়েছে। তবে এর ক্ষেত্রে রাশিয়া ও চীন ভোটদানে বিরত ছিল। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই পরিকল্পনাকে সমর্থন জানানো হলেও রাশিয়া কেন ভোটদান থেকে বিরত থাকল, তা নিয়ে ব্যাপক তৎপরতা চলছে। রাশিয়ার জাতিসংঘে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ভাসিলি নেবেনজিয়া মনে করেন, এই প্রস্তাব স্বচ্ছতার অভাবে এবং ফিলিস্তিনিদের মতামত উপেক্ষা করে তৈরি হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এই নথি যেন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অজুহাত হয়ে না দাঁড়ায়। ইসরাইল ও অবাধ পরীক্ষাগার হিসেবে ব্যবহৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের উপর এই দলিল যেন নিজস্ব স্বার্থের জন্য ব্যবহৃত না হয়।’ রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আরও উল্লেখ করেন, এই পরিকল্পনাটি উপনিবেশিক যুগের চিন্তাভাবনার মতো, যেখানে ফিলিস্তিনিদের মতামত গুরুত্ব পেত না। তিনি আফসোস করে বলেন যে, এই প্রস্তাবে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা বাহিনী কীভাবে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) সঙ্গে কাজ করবে, সেই স্পষ্টতা নেই। তিনি মনে করেন, এই বাহিনী গাজার পরিস্থিতি পরিচালনার জন্য নয় বরং আরও যুদ্ধোমুখী অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া, রুশ দূত বলেন এই বাহিনী ‘রামাল্লার মতামত বা স্বায়ত্বশাসনকে বিবেচনা না করে স্বেচ্ছাচারীভাবে কাজ করতে পারে।’ নতুন এই বাহিনীতে করোন তুরস্ক, কাতার ও মিসর ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। মূলত গাজার পুনর্নির্মাণ ও নিরাপত্তার অজুহাতে এই বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, ট্রাম্প এই ভোটকে ‘ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত’ দাবি করে বলেছেন, আরও উত্তেজনাপূর্ণ ঘোষণা আসবে। অপর পাশে হামাস এই পরিকল্পনাকে চাপিয়ে দেওয়ার ‘আন্তর্জাতিক অভিভাবকত্ব’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং জানিয়েছে তারা কখনো অস্ত্র দেয়া বন্ধ করবে না। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকেও সতর্ক করে বলা হয় যে, এই প্রস্তাব ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতা, যুদ্ধাপরাধের দায়বদ্ধতা এবং ক্ষতিপূরণের মৌলিক বিষয়গুলো উপেক্ষা করছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo