1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
৭ জুন বাজেট অধিবেশন: সংসদে পেশ হবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পবিত্র ঈদুল আজহার জন্য ২৫ মে থেকে ৩১ মে টানা সাত দিন সরকারি ছুটি রেললাইনের ঘেঁষে কোরবানির হাট বসানো যাবে না: রেল মন্ত্রণালয় ইসলামপুরে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড; প্রধান আসামি সাদিক খালাস জামালপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, প্রধান আসামি সাদিক খালাস সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের বিচার শুরু; গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা আবেদন রাজধানীর সব ভবনে সৌর প্যানেল বসানোর উদ্যোগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ফারজানার আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা মূল্যে ব্যাগ, ড্রেস ও ফুটওয়্যার বিতরণের উদ্যোগ

জামায়াতের দাবি: ভোটকেন্দ্রে অন্তত পাঁচজন সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অন্তত পাঁচজন সেনা সদস্য মোতায়েনের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনের আলোচনা সভায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সংলাপে দলের সহ–সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই দাবি জানান।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গত এক মাসের মধ্যে অনেক নতুন ডিসি বদলি করা হয়েছে, অনেকের বদলি হঠাৎ করে চোখে পড়ে। তিনি মনে করেন, এর পেছনে একটি স্বয়ংক্রিয় বা পরিকল্পিত ডিজাইন কাজ করছে, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

এছাড়া, জামায়াতের পক্ষ থেকে বাস্তুসংস্থান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা বদলির ক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে ট্রান্সফার চালুর পক্ষে মত প্রকাশ করা হয়। দলটির মনে হয়, লটারির মাধ্যমে বদলি করলে, কেউ যা চাইবেন, তাকে সে স্থান পাওয়ার সুযোগ থাকবে এবং একযোগে বদলি নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠবে না।

প্রস্তাবের পক্ষে আরও এগিয়ে এসে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, নির্বাচন কমিশনকে সাহসী ও স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

অপর দিকে, দলীয় প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘন ও শাস্তি নিয়ে দলের প্রতিনিধি ব্যারিস্টার শিশির মনির অভিযোগ করেন, আচারবিধি লঙ্ঘনের জন্য শাস্তি প্রদানের প্রক্রিয়া স্পষ্ট নয়। তিনি বলেন, একই অপরাধে প্রার্থী ও দলের জন্য শাস্তি নিশ্চিত করতে বিধিমালায় প্রয়োজনীয় বিস্তারিত নিয়ম থাকতে হবে যেন সব পক্ষের জন্য বিষয়টি পরিষ্কার হয়।

সর্বোপরি, তিনি দাবি করেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সব প্রার্থীর জন্য একযোগে সংলাপ বা আলোচনা করা বাধ্যতামূলক না কি ঐচ্ছিক তা স্পষ্ট করা জরুরি। এ ধরণের স্পষ্ট দিকনির্দেশনা ছাড়া কার্যক্রমের উদ্বেগ ও বিশৃঙ্খলা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo