1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত

৫ ব্যাংক একীভূত করার সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জে হাইকোর্টে রিট

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

সংকটে পড়া পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংক একীভূত করার সরকারের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সাধারণ বিনিয়োগকারীর পক্ষে ব্যারিস্টার মাহসিব হোসাইন এ রিট আবেদন করেন। রিটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থসচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি একীভূতকরণ প্রক্রিয়াটির গুরুত্বপূর্ণ বিবাদী করা হয়েছে।

২০১৯ সালের অক্টোবর মাসের ৯ তারিখে সংকটে পড়া এই পাঁচ ব্যাংকের একীভূতির প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। ব্যাংকগুলো হলো- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামিক ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামিক ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামিক ব্যাংক। এই পাঁচটি ব্যাংকের সফল একীভূতির মাধ্যমে একটি শরিয়াহভিত্তিক নতুন ব্যাংক গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

নতুন ব্যাংকের জন্য দুটি নাম প্রস্তাব করা হয়েছে— ‘ইউনাইটেড ইসলামিক ব্যাংক’ এবং ‘সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংক’। এই ব্যাংকটি বাণিজ্যিক দিক থেকে পরিচালিত হবে পেশাদারিত্ব ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ মূল ঘোষণায় কেউ চাকরি হারাবেন না এবং কোনো আমানতকারী তার টাকা হারাবেন না। প্রাথমিকভাবে নতুন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ধরা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকা, যা পরিশোধিত মূলধন হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এই ব্যাংকটি গঠন ও পরিচালনার জন্য পাঁচটি ব্যাংকের সব দায়-দায়িত্ব ও সম্পত্তি গ্রহণ করা হবে।

ফান্ডিং এর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে ১০ হাজার কোটি টাকা নগদে প্রদান এবং বাকি ১০ হাজার কোটি টাকা সুকুক বন্ড ছাড়ার মাধ্যমে সংগৃহীত হবে।

সুকুক হলো শরিয়াহভিত্তিক ইসলামি বন্ড, যা সুদভিত্তিক বন্ডের বিকল্প। এটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হলো আইনি চুক্তিপত্র।

এ ছাড়াও প্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারীদের শেয়ার দিয়ে মোট ১৫ হাজার কোটি টাকা মূলধনে রূপান্তর করা হবে বেইল-ইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, যাতে করে মানহীন ঋণ পরিশোধের পরিবর্তে বিনিয়োগকারীরা শেয়ার ধারণ করেন। পরবর্তীতে রেজল্যুশন পরিকল্পনা অনুসারে এটি টাকা হিসেবে ফেরত দেয়া হবে আমানতকারীদের।

প্রাথমিকভাবে, এই ব্যাংকটি সরকারি মালিকানায় থাকবে। তবে ধাপে ধাপে তা বেসরকারি খাতের হাতে হস্তান্তর করা হবে। সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে, পাঁচ বছরের মধ্যে এই ব্যাংকটি সম্পূর্ণ বেসরকারি খাতে চলে যাবে।

ব্লকচেইন ও একীকরণ প্রক্রিয়ায় এই ব্যাংকের রূপান্তরটি নির্ভরযোগ্যতা ও স্থায়ীত্ব নিশ্চিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক কমবে এবং ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা দ্রুত ফেরত দেয়া সম্ভব হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo