1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ভদ্রা বসু আর নেই

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫

ওপার বাংলার নাটক ও চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দর্শকের মন জয় করেছেন বর্ষীয়ান নৃত্য ও নাট্যশিল্পী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নির্মাতা ভদ্রা বসু। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাতে কলকাতার একটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৬৫ বছর।

ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, কিছু দিন ধরেই শারীরিক গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছিলেন এই গুণী শিল্পী। তার গলব্লাডারে স্টোনের খবর প্রথম জানা যায়, যা চিকিৎসকদের মতে চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে অত্যন্ত উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদযন্ত্রের অসুবিধার কারণে দ্রুত অস্ত্রোপচার সম্ভব হয়নি। ওষুধের মাধ্যমে সমস্যা সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছিল।

কিন্তু পরিস্থিতি তখন আরো জটিল হয়ে উঠল, যখন হঠাৎ করেই তিনি ঘরে পড়ে গিয়ে স্নায়ুবিক আঘাত পান। এরপর তাকে প্রথমে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিছুক্ষণ পর তাকে কলকাতার জনপ্রিয় এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

সেখানে তার মস্তিষ্কে জটিল অস্ত্রোপচার করা হয়। পাশাপাশি কিডনির সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎসকদের নানা চেষ্টার পরও অবস্থা অবনতি হলে শুক্রবার রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ভদ্রা বসু ছিলেন প্রখ্যাত নাট্য নির্দেশক ও অভিনেতা অসিত বসুর সহধর্মিণী। তিনি Bühne ও ক্যামেরার সামনে এক অনন্য প্রতিভা হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে সুমন মুখোপাধ্যায়ের ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ ও অনিলাভ চট্টোপাধ্যায়ের ‘বেলা’ ছবিগুলো বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। তার মৃত্যুতে বাংলার সাংস্কৃতিক জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo