1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
৭ জুন বাজেট অধিবেশন: সংসদে পেশ হবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পবিত্র ঈদুল আজহার জন্য ২৫ মে থেকে ৩১ মে টানা সাত দিন সরকারি ছুটি রেললাইনের ঘেঁষে কোরবানির হাট বসানো যাবে না: রেল মন্ত্রণালয় ইসলামপুরে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড; প্রধান আসামি সাদিক খালাস জামালপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, প্রধান আসামি সাদিক খালাস সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের বিচার শুরু; গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা আবেদন রাজধানীর সব ভবনে সৌর প্যানেল বসানোর উদ্যোগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ফারজানার আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা মূল্যে ব্যাগ, ড্রেস ও ফুটওয়্যার বিতরণের উদ্যোগ

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়াল ও স্ত্রীর আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য উপ-কমিটির সদস্য এবং ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগারওয়াল ও তাঁর স্ত্রী সবিতা আগারওয়ালের আয়কর নথি জব্দের জন্য আদালত নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশনা তিনি ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের করা তদন্তযোগ্য আবেদনের প্রেক্ষিতে জারি করা হয়েছে। সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোঃ সাব্বির ফয়েজ এ নির্দেশ প্রদান করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে দুইটি আলাদা দরখাস্তে এই অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত এই আদেশ দেন। দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, দিলীপ কুমার আগারওয়াল অসাধু উপায়ে অবৈধভাবে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১২ কোটি ৪৭ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন ও তা ভোগদখলে রেখেছেন। এছাড়া তিনি নিজের ও তাঁর স্বার্থবিশিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে ৩৪টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ৭৫৫ কোটি ৩০ লাখ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন। এসব অর্থ তিনি দুর্নীতি, ঘুষ, এবং মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অর্জন করেছেন বলে দুদকের অভিযোগ।

অন্য আবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর স্ত্রী সবিতা আগারওয়ালও অসাধু উপায়ে ৪৫ কোটি ৭০ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে তা ভোগদখলে রেখেছেন। তার নামে ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে পাওয়া গেছে আটটি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ২১৩ কোটি ২৮ লাখ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন। এসব অর্থও দুর্নীতি, ঘুষের টাকা ও মানি লন্ডারিংয়ে ব্যয় করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

উভয়ের বিরুদ্ধে তদন্তের স্বার্থে তাদের আয়কর পর্যালোচনার জন্য এসব নথি তদন্ত কর্মকর্তার হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য প্রয়োজন আদালতের অনুমোদন ও নির্দেশনা, যাতে তাদের আয়কর নথিগুলি জব্দ করে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo