1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

দুর্বল ৫ ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা ক্ষতিপূরণ পাবেন

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি) জানিয়েছে, ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ (বিআরও ২০২৫) অনুযায়ী দুর্বল অর্থনীতির পাঁচটি ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা ক্ষতিপূরণ পাবেন, যদি তাদের বিনিয়োগের যথাযথ ক্ষতি হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, ‘বিআরও ২০২৫-এর ধারা ৪০ অনুযায়ী, যদি কোনও তফশিলি ব্যাংক রেজল্যুশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিণত হয়ে লিকুইডেশনের (বর্তমান অর্থে পরিসমাপ্তি) মাধ্যমে শেষ হয় এবং শেয়ারহোল্ডাররা রেজল্যুশন প্রক্রিয়ার কারণে লিকুইডেশনের তুলনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন, তবে তাদের ক্ষতির পরিমাণের ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।’

এই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে একটি স্বতন্ত্র পেশাদার মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে, যাকে বাংলাদেশ ব্যাংক রেজল্যুশন শেষ হওয়ার পরে নিয়োগ করবে।

এছাড়া সরকার ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বা শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য বিশেষ ক্ষতিপূরণও বিবেচনা করতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, এই বিধানটি আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম অনুশীলনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়েছে। এতে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক এবং ওইসিডির মত আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রযুক্তিগত সহায়তা ও মতামত অন্তর্ভুক্ত।

অধ্যাদেশে রেজল্যুশনের আওতায় থাকা ব্যাংকের বিভিন্ন দাবিদারর (যেমন আমানতকারী ও শেয়ারহোল্ডার) অধিকার স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বর্তমানে রেজল্যুশন প্রক্রিয়া চলমান ব্যাংকগুলো বড় পরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এবং তাদের নিট সম্পদ মূল্য (নিট অ্যাসেট ভ্যালু বা এনভি) ঋণাত্মক।

এই আর্থিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে, বিআরও ২০২৫-এর ধারা ৪২ অনুযায়ী গঠিত ব্যাংকিং সেক্টর ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটি (বিসিএমসি) ২৪ সেপ্টেম্বর একটি সভায় এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, এই পাঁচটি ব্যাংকের রেজল্যুশন প্রক্রিয়ায় শেয়ারহোল্ডাররা ব্যাংকের ক্ষতি বহন করবেন।

রেজল্যুশন টুলস ফ্রেমওয়ার্ক অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক ধারাসমূহের অধীনে বিভিন্ন অংশীদারদের ওপর ক্ষতি আরোপের ক্ষমতা রাখে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে শেয়ারহোল্ডার, দায়ী ব্যক্তি, অতিরিক্ত টিয়ার ১ মূলধনধারী, টিয়ার ২ মূলধনধারী ও সাব-অর্ডিনেটেড ডেট হোল্ডার।

বর্তমানে, এই পাঁচটি ব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট বিধানসমূহ বিবেচনায়, সাধারণ বিনিয়োগকারী বা শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ সংরক্ষণের কোন সুযোগ বর্তমানে নেই। তবে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বা শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষার্থে সরকারের চিন্তাভাবনা রয়েছে, যেখানে তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।

সূত্র: বাসস

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo