1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় হামলা, ত্রাণের ৭৫% আটকে রেখেছে ইসরায়েল

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫

মার্কিন মধ্যস্ততায় যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে, তা থেকে কিছুটা হলেও ত্রাণের প্রবাহ বেড়েছে বললেও পরিস্থিতি মোটেও স্বাভাবিক নয়। গাজায় অব্যাহত ইসরায়েলি হামলার কারণে ত্রাণের বড় অংশ এখনো পৌঁছাতে পারেনি। দেশটি প্রতিশ্রুত ত্রাণের মাত্র ২৫ শতাংশই গাজার মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে পারছে, অর্থাৎ মোট ত্রাণের প্রায় ৭৫ শতাংশই আটকে রয়েছে ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞার কারণে। এ পরিস্থিতিতে মানবিক সংকট হৃদয়বিদারক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন গাজার কর্তৃপক্ষ।

শনিবারের এক বিবৃতিতে গাজার সরকারী গণমাধ্যমে বলা হয়, গত ১০ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ২০৩টি বাণিজ্যিক ও ত্রাণবাহী ট্রাক গাজায় প্রবেশ করেছে। তবে অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে মাত্র ১৪৫টি ট্রাকের অনুমতি দেয়া হয়েছে, যা দৈনিক ৬০০ ট্রাকের নির্ধারিত পরিমাণের খুবই কম—মাত্র ২৪ শতাংশ। এক পর্যায়ে, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে এই ট্রাকগুলোতে বাধা দিচ্ছে, যার ফলে ২৪ লাখেরও বেশি মানুষের মানবিক সংকট আরও মারাত্মকতর হয়ে উঠেছে।

এমন পরিস্থিতিতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন তারা চাপ সৃষ্টি করেন, এবং শর্ত বা বিধিনিষেধ বিনা দ্বিধায় ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দেন। অর্থাৎ, কোনো শর্তের তোয়াক্কা না করে মানবিক কাজে এগিয়ে আসার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।

বিশেষ করে, দীর্ঘ দুই বছর সংঘর্ষের কারণে বহু পরিবার এখন আশ্রয়হীন। অনেকের ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে, তারা খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র ফারহান হক জানান, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের নির্দেশে রুট পরিবর্তনের ফলে ত্রাণ কার্যক্রম বেশ বেসামাল হয়েছে। তিনি বলেন, “এখন কনভয়গুলোকে মিসরের সীমান্তঘেঁষা ফিলাডেলফি করিডর দিয়ে যেতে হচ্ছে, যা মারাত্মক যানজটে আটকে রয়েছে।” এ জন্য যান চলাচল সহজ করার জন্য আরও সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ রুট চালুর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতি ভেঙ্গে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী শনিবারও বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে। খাস জোন হিসেবে পরিচিত দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসে বিমান, কামান ও ট্যাংকের গোলাবর্ষণে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের পাশের বেশ কয়েকটি ভবনও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, “ইসরায়েলি ড্রোন ও ভারী গোলাবর্ষণে ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি ধ্বংসস্তুপে রূপান্তরিত হচ্ছে।”

মহামারী বা জরুরি পরিস্থিতির মতো এই পরিস্থিতিতে, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২২২ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫৯৪ জন আহত হয়েছেন। পুরো পরিস্থিতি মানবিক সংকটের দিকে এগোচ্ছে, যেখানে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ আহত হচ্ছে, অনেক প্রাণ হারাচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo