1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মন্দ ঋণ অবলোপনে সময়সীমা শিথিল

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংক মন্দ ঋণ অবলোপনের জন্য ব্যাংকগুলোর জন্য সময়সীমা শিথিল করে দিয়েছে, যেখানে আগে যত দ্রুত সম্ভব ঋণ অবলোপন করতে বলা হত, এখন তা আরও সুবিধাজনক করা হয়েছে। এ ছাড়াও, ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, কোনও ঋণ অবলোপনের আগে অন্তত ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতাকে লিখিতভাবে নোটিশ পাঠাতে হবে, যাতে তারা বিষয়টি সঠিকভাবে জানতে পারেন।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৮ ফেব্রুয়ারির পূর্বের নীতিমালা সংশোধন করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এর মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, যেসব ঋণ টানা দুই বছর ধরে নন-প্রদেয় বা ক্ষতিজনক মানে রেখিত ছিল, সেগুলো অবলোপন করা হত। কিন্তু এখন থেকে, যেসব ঋণ বর্তমানে মন্দ বা ক্ষতিজনক অবস্থায় রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আদায়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ, সেগুলোও অবলোপন করা যেতে পারে। বিশেষ করে পুরোনো ঋণগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে অবলোপনের বিষয়টি দেখা হবে।

নতুন নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঋণ অবলোপনের আগে অন্তত ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে। কারণ, ঋণ অবলোপনের পরও পুরো অর্থ না পরিশোধ করা পর্যন্ত ঋণগ্রহীতাকে দায়মুক্তি পাওয়া যাবে না; তাকে খেলাপি হিসেবেই ধরা হবে।

নতুন নির্দেশনায় উপাদান হিসেবে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মৃত ব্যক্তির নামে বা তার একক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণ ব্যাংক নিজ উদ্যোগে অবলোপন করতে পারবে, তবে এর জন্য মৃত ব্যক্তির উত্তরসূরি থাকা বা না থাকার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি, ব্যাংকের নিজস্ব নীতিমালা অনুসারে, অবলোপন সম্পর্কিত প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নগদ প্রণোদনাও পেতে পারেন, যেখানে প্রয়োজন হলে পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে প্রণোদনার নীতিমালা তৈরি করা যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ঋণ অবলোকনের আগে ব্যাংককে অবশ্যই বন্ধকীকৃত সম্পত্তিটি বিক্রির সব চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে, ‘অর্থ ঋণ আদালত প্রত্যাদেশ আইন ২০০৩’-এর আওতায় শিশু-সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ কিংবা মৃত ব্যক্তির নামে থাকা ঋণ মামলা ছাড়া অবলোপন করতে পারবে। এ ছাড়া, ঋণের অবলোপনের আগে অবশিষ্ট অর্থ থেকে সুদ বাদ দিয়ে অবকাশ থাকলেও প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ঋণ আংশিকভাবে অবলোপন করা যাবে না এবং ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন ছাড়া কোনও ঋণের অবলোপন সম্ভব হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আগে যেখানে ডলার সংকট ছিল, সেখানে এখন পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে এবং রিজার্ভও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়ছে এবং মন্দ ঋণ অবলোপনে শিথিলতা আনা ব্যাংকগুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করবে। এর ফলে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাও আরও বাস্তবমুখী হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo