1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

অতীতে রানখরা, তারপর বিজয়ী বাংলাদেশ

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫

মিরপুরের উইকেট অনেক বছর থেকেই ব্যাটসম্যানদের জন্য কঠিন হয়ে উঠছে। এ কারণেই বেশিরভাগ সময় আঙুল ধরা হয় ইতিহাসের অন্যতম মানসম্পন্ন কিউরেটর গামিনি ডি সিলভার দিকে। তবে দীর্ঘ দিন পর এই দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হয় এবং টনি হেমিংকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু হেমিংও নতুন উইকেটে প্রত্যাশামতো পারফর্ম করতে পারেননি। প্রথমবারের জন্য মিরপুরের নতুন উইকেটে খেলতে নেমে বাংলাদেশের ব্যাটাররা কঠিন সংগ্রামের মুখোমুখি হন। ক্রমান্বয়ে স্পিনাররা বড় টার্ন দিয়ে দারুণ সুবিধা গ্রহণ করে, যা সামলাতে গিয়ে ব্যর্থ হন বাংলাদেশের মিরাজ ও সোহান। তবে বিপরীতে ক্যারিবীয় স্পিনারদের সফলভাবে সামলে নিজের উইকেট আগলে রাখলেন তাওহিদ হৃদয়। তার দুর্দান্ত ফিফটি বাংলাদেশের মোট রান দুইশ ছুঁয়ে দেওয়ার মূল কারণ।

শুরুতেই দুই ওপেনার আউট হওয়ার ফলে দলের উপর চাপ তৈরি হয়, তবে নাজমুল শান্ত ও তাওহিদ হৃদয়ের দৃঢ় অংশগ্রহণে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়। হৃদয়ের ফিফটির পর অপ্রতিরোধ্য ৪৬ রানের ইনিংস খেলে অভিষেককারী মাহিদুল ইসলাম অঙ্কণ দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যান। ৪৯.৪ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০৭ রান, যা বাজেটের মধ্যে ছিল।

করিবীয়দের বিপক্ষের সিরিজের মাধ্যমে দলে ফিরেছেন সৌম্য সরকার। তিনি একাদশের প্রথম দিকেই ছিলেন, সাইফ হাসানের সঙ্গে ওপেনিং করেন। তবে প্রথম ওভারে ৮ রানের বেশি যোগ করতে পারেননি। দ্বিতীয় ওভারে বল করার সময় সাইফকে আউট করেন শেফার্ড; তিনি ৬ বলে ৩ রান করেন।

সাইফের বিদায়ের পর পরই সৌম্যও ফিরে যান, চার হাঁকালেও শেষ পর্যন্ত ৬ বলে ৪ রান করেই সাজঘরে যান। এরপর পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে নাজমুল শান্ত ও হৃদয় ক্রিজে আসেন। দুজন হয়তো কঠিন সময়ে অস্থির ছিলেন, তবে ধীরস্থির খেলে রান করে যান। শান্ত-হৃদয় জুটি গড়ে তিনের মধ্যে পরিস্থিতি সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান।

শান্ত ৩২ রানে ফিরলেও হৃদয় লড়াই চালিয়ে যান। এরপর অঙ্কণের সঙ্গে গড়ে দেন ৩৬ রানের জুটি। ৮৭ বলে হার মানেন তাঁর ফিফটি। তবে ফিফটি পাওয়ার পর তিনি ক্যাচ তুলে দেন হোপের হাতে।

পরবর্তী সময়ে অঙ্কণ দলের হাল না হারিয়ে ১৭ রান করে ফিরে যান, তার পরে ক্যামিও হিসেবে রিশাদ হোসেন ১২ বলে ২৬ রান করে দলের জন্য অবদান রাখেন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ২০৭ রানে অলআউট হয় ৪৯.৪ ওভারে, এবং এই সংগ্রহের জন্য তাদের অবদান ছিল তরুণ এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের। এভাবে তারা ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo