1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

প্রবাদপ্রতিম সংগীতজ্ঞ ছান্নুলাল মিশ্র আর নেই

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫

উপমহাদেশের শাস্ত্রীয় সংগীতের একজন কিংবদন্তি শিল্পী ছান্নুলাল মিশ্র বুধবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর দ্রুত তাকে মির্জাপুরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মৃত্যু ঘোষণা করেন। তবে তার শেষ কৃত্য সম্পন্ন হয় বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) ভোর সাড়ে চারটার দিকে। এই শোকের খবর শুনে ভারত এবং বাংলাদেশের সংগীতজগৎ গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে।

শিল্পীর কন্যা নম্রতা মিশ্র জানান, কয়েক মাস ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে বিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) রাতে তার শারীরিক পরিস্থিতির আরো খারাপের খবর পাওয়া যায়, এরপরই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি দেখে ১১ সেপ্টেম্বর মির্জাপুরের মেডিকেল কলেজের ১৫ জনের বিশেষ চিকিৎসকদের একটি দল তার চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছিল।

ছান্নুলাল মিশ্র ১৯৩৬ সালের ৩ আগস্ট উত্তরপ্রদেশের হরুহরপুরে জন্মগ্রহণ করেন। সংগীতের প্রতি তার প্রেমের শুরু বাবার, বদ্রীনাথ মিশ্রের কাছ থেকে। ছোটবেলা থেকেই তিনি বাবার দেখাদেখি শাস্ত্রীয় সংগীতের প্রতি গভীর আগ্রহ দেখা দেয়। বাবার নির্দেশনায় সংগীতের ধারায় তিনি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রায় এক শ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে তিনি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের নানা রাগ, ভজন ও ধারা সমৃদ্ধ করেছেন। তার কণ্ঠে রচিত রাগ ও ভজনের দলগুলো দেশ-বিদেশের শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রেখেছে। ভারতীয় সংগীতজগৎ তাকে ‘লেজেন্ড’ হিসেবে স্মরণ করবে।

শাস্ত্রীয় সংগীতের ইতিহাসে তাঁর অবদান অসামান্য। তিনি অসংখ্য কনসার্ট ও অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন এবং ভারতীয় সংগীতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তুলে ধরেছেন। তাঁর অপ্রতিরোধ্য সঙ্গীত জীবন ও অবদানে বাংলা-বাংলাদেশ ও ভারতের সংগীতপ্রেমীরা গভীর শোক প্রকাশ করছে। তাঁর প্রয়াণে সংগীতের অঙ্গন এক গভীর শূন্যতার মুখোমুখি হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo