1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ ধানমন্ডিতে ১০তলা ভবনের বারান্দা থেকে পড়ে ৮ বছরের গৃহকর্মীর মৃত্যু গুজব ও এআই-ভিত্তিক বিভ্রান্তি রোধে সরকার কঠোর হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রী: সারাদেশে একযোগে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে বোর্ড পরীক্ষা হবে সাবেক ডিবি এডিসি গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে

গাজায় স্থিতিশীলতার জন্য মানবিক ও কূটনৈতিক উদ্যোগ আবশ্যক: ম্যাক্রোঁ

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, গাজা সংকটের স্থায়ী সমাধানে কেবল military force এড়ানো যাবে না। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ইসরায়েলের সশস্ত্র বাহিনী বছর দুয়েক ধরে হামাসকে দমন করতে গাজায় যে অভিযান চালাচ্ছে, তা স্বাভাবিকভাবেই লক্ষ্য অর্জনে পর্যাপ্ত নয়। তিনি জানান, এই সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে কূটনৈতিক উদ্যোগের পাশাপাশি মানবিক সহায়তা অপরিহার্য।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেয়া এক ভাষণে ম্যাক্রোঁ এই মত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে আসছে, যার লক্ষ্য ছিল হামাসকে সম্পূর্ণ নিষ্প্রভ করা। তবে, এখনো হামাসের হাজার হাজার যোদ্ধা জীবিত রয়েছে, যা পরিস্থিতির মাহাত্ম্যকে আরও জটিল করে তুলছে। এ কারণে তিনি মনে করেন, কেবলমাত্র সামরিক পদক্ষেপ দ্বারা এই সংকটের সমাধান আসন্ন নয়।

ম্যাক্রোঁ আরো বলেন, এই পরিস্থিতির সমাধানে সর্বাত্মক এবং বহুমুখী কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। গাজায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে অবিলম্বে ইসরায়েলি নাগরিকদের মুক্তি দিতে হবে, যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করতে হবে এবং মানবিক সহায়তার প্রবাহ অবিচ্ছিন্ন রাখতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, শুধুমাত্র শক্তিশালী সামরিক ব্যবস্তা দীর্ঘমেয়াদি শান্তি আনার পথে বাধা সৃষ্টি করে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার ফ্রান্স ও ইসরায়েল যৌথভাবে একটি বৈশ্বিক সম্মেলন আয়োজিত করে, যেখানে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন এবং সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি ও মধ্যপ্রাচ্যে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আলাপ হয়। এই সম্মেলনে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, পর্তুগালসহ বেশ কিছু দেশ অংশ নেয়, তবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র এই সম্মেলন বর্জন করে।

তথ্যসূত্র: সিএনএন

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo