1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

নেপালে নিহতদের পরিবার থেকে পেনশন ও মর্যাদার দাবি, মরদেহ না নেওয়ার ঘোষণা

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নেপালে সাম্প্রতিক জেন জি আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ঘোষণা করেছে, তারা তাদের প্রিয়জনদের মরদেহ গ্রহণ করবে না যতক্ষণ না শহীদ স্বীকৃতি ও দেশের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং অন্যান্য দাবিগুলো পূরণ হয়। এই দাবি মেনে না নিলে তারা মরদেহ না নেয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিপূরণ ও নিরাপত্তার জন্য সরকারের কাছে আশা ব্যক্ত করেছেন।

নিহতদের পরিবার এই ঘোষণা দিয়ে বলছে, তাদের একমাত্র লক্ষ্য এখন হচ্ছে প্রায়শ্চিত্ত ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। তারা নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির জন্য প্রত্যাশা করছেন, যাতে দ্রুত এই দাবিগুলো মান্যতা পায়।

এই ঘোষণা দিয়ে তারা মূলত জানিয়েছেন, তারা তাদের প্রিয়জনদের শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে প্রস্তুত নয় যতক্ষণ না তাদের দাবি পূরণ হয়। মূলত, নিহতদের পরিবার দাবি করেছেন— ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভে নিহতদের শহীদ ঘোষণা, রাষ্ট্রীয় মর্যাদাসহ দাফন, এবং এই মৃত্যুর উৎসব ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার মিছিল শহর শহর প্রদক্ষিণ করার।

বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি কাঠমান্ডু পোস্ট এক প্রতিবেদনে বলছে, আন্দোলন ও সহিংসতার শিকার নিহতদের স্বজন ও আহতদের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে একটি সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির সঙ্গে সরাসরি দেখা করার অপেক্ষায় আছেন।

নিহত এক তরুণ, কমল সুবেদীর স্বজনরা জানিয়েছেন, শনিবার প্রধানমন্ত্রী সঙ্গেও মৌখিক সমঝোতা হয়েছিল। তবে রোববার লিখিত প্রতিশ্রুতির জন্য অপেক্ষা করছে তারা।

তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— নিহতদের শহীদ ঘোষণা, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন, এবং দাফনের শেষকৃত্য মিছিল রিং রোডে অনুষ্ঠিত। এছাড়া, তারা advocacy করেছেন শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ নয়, বরং সচিব পর্যায়ের সম্মানজনক পেনশন সুবিধাও প্রদান করতে।

অতীতে, প্রধানমন্ত্রী কার্কির দায়িত্ব গ্রহণের পর নিহত প্রত্যেকের জন্য ১০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। তবে পরিবারগুলোর দাবি, এই ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি, নিহতের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও সম্মাননা প্রদানের জন্য আরও বিস্তৃত ও যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo