1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ ধানমন্ডিতে ১০তলা ভবনের বারান্দা থেকে পড়ে ৮ বছরের গৃহকর্মীর মৃত্যু গুজব ও এআই-ভিত্তিক বিভ্রান্তি রোধে সরকার কঠোর হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রী: সারাদেশে একযোগে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে বোর্ড পরীক্ষা হবে সাবেক ডিবি এডিসি গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে

হোয়াইট হাউসের দাবি: কাতারকে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল ইসরায়েলির হামলার বিষয়ে

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ইসরায়েলে চালানো হামলার ব্যাপারে কাতারকে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট। তিনি মঙ্গলবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই হামলার আগে তাদের জানিয়েছিলেন যে, তারা শিগগিরই শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কার্যক্রম চালাবে। এ খবরটি তখনই যুক্তরাষ্ট্র জানতে পারে। নেতানিয়াহু সঙ্গে কথা বলার পর সঙ্গে সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্টাফের মাধ্যমে দোহাকে এই হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন।

তথ্য আরও জানানো হয়, কেবল হোয়াইট হাউস নয়, মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাতারস্থ ঘাঁটিও দোহাকে সতর্কতা পাঠিয়েছিল। হামলার পর, ট্রাম্প কাতারের নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথাও বলেছেন এবং তাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন যে ভবিষ্যতে এই ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটবে না।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বিশ্বস্ত মিত্র হলো কাতার। সেখানে মার্কিন সেনাঘাঁটি রয়েছে এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের সময়ে এই দেশ গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতা করছে। বর্তমানে, এই সংঘর্ষে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিসর কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।

সম্প্রতি, ট্রাম্প গাজা পরিস্থিতি শান্ত করতে একটি খসড়া প্রস্তাব পাঠিয়েছেন এবং সেই বিষয়ে আলোচনা চলার সময়, কাতারিয়ার এক ভবনে হামাসের শীর্ষ নেতারা বৈঠক করেন। ঠিক সময়ে, ইসরায়েলের বিমান হামলা চালায় ওই ভবনটিকে লক্ষ্য করে। ইসরায়েলির প্রতিরক্ষা বাহিনী বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এই হামলাটি হামাসের শীর্ষ নেতা খলিল আল হায়া ও পশ্চিম তীর শাখার নেতা জাহের জাবারিনকে হত্যার লক্ষ্যেই চালানো হয়েছিল। তবে সেই লক্ষ্য সফল হয়নি; গত ঘটনার মধ্যে অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন, এর মধ্যে পাঁচজন হামাসের সাথে সংশ্লিষ্ট বলে জানা গেছে। হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতদের মধ্যে কোনো উচ্চপদস্থ নেতা ছিল না।

সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে ক্যারোলিন লিভিট বলেন, ‘হামাসকে নিশ্চিহ্ন করা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য জরুরি লক্ষ্য, তবে দোহায় ইসরায়েলের এই হামলা সেই লক্ষ্যে পৌঁছাবে না।’ সূত্র: এএফপি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo