1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

হোয়াইট হাউসের দাবি: কাতারকে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল ইসরায়েলির হামলার বিষয়ে

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ইসরায়েলে চালানো হামলার ব্যাপারে কাতারকে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট। তিনি মঙ্গলবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই হামলার আগে তাদের জানিয়েছিলেন যে, তারা শিগগিরই শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কার্যক্রম চালাবে। এ খবরটি তখনই যুক্তরাষ্ট্র জানতে পারে। নেতানিয়াহু সঙ্গে কথা বলার পর সঙ্গে সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্টাফের মাধ্যমে দোহাকে এই হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন।

তথ্য আরও জানানো হয়, কেবল হোয়াইট হাউস নয়, মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাতারস্থ ঘাঁটিও দোহাকে সতর্কতা পাঠিয়েছিল। হামলার পর, ট্রাম্প কাতারের নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথাও বলেছেন এবং তাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন যে ভবিষ্যতে এই ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটবে না।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বিশ্বস্ত মিত্র হলো কাতার। সেখানে মার্কিন সেনাঘাঁটি রয়েছে এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের সময়ে এই দেশ গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতা করছে। বর্তমানে, এই সংঘর্ষে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিসর কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।

সম্প্রতি, ট্রাম্প গাজা পরিস্থিতি শান্ত করতে একটি খসড়া প্রস্তাব পাঠিয়েছেন এবং সেই বিষয়ে আলোচনা চলার সময়, কাতারিয়ার এক ভবনে হামাসের শীর্ষ নেতারা বৈঠক করেন। ঠিক সময়ে, ইসরায়েলের বিমান হামলা চালায় ওই ভবনটিকে লক্ষ্য করে। ইসরায়েলির প্রতিরক্ষা বাহিনী বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এই হামলাটি হামাসের শীর্ষ নেতা খলিল আল হায়া ও পশ্চিম তীর শাখার নেতা জাহের জাবারিনকে হত্যার লক্ষ্যেই চালানো হয়েছিল। তবে সেই লক্ষ্য সফল হয়নি; গত ঘটনার মধ্যে অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন, এর মধ্যে পাঁচজন হামাসের সাথে সংশ্লিষ্ট বলে জানা গেছে। হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতদের মধ্যে কোনো উচ্চপদস্থ নেতা ছিল না।

সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে ক্যারোলিন লিভিট বলেন, ‘হামাসকে নিশ্চিহ্ন করা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য জরুরি লক্ষ্য, তবে দোহায় ইসরায়েলের এই হামলা সেই লক্ষ্যে পৌঁছাবে না।’ সূত্র: এএফপি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo