1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় ঈদযাত্রায় ৩ দিনে পদ্মা সেতুতে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকার টোল আদায় নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা: জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে নামাজ পড়বেন

কাকরাইলে রাজনৈতিক সংঘর্ষে সহিংসতা, আইএসপিআর বলছে

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

রাজধানীর কাকরাইলে দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংঘর্ষের কারণে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক সহিংসতার পরিস্থিতি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) আজ (৩০ আগস্ট) শনিবার একটি বিস্তারিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার রাত আনুমানিক ৮টায় কাকরাইলে দুই রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কিছুজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী এবং পুলিশ মোতায়েন করা হয়। প্রথমে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করতে চেষ্টা চালায়, কিন্তু পরিস্থিতি আরো গুরুতর হলে তারা সেনাবাহিনীর সহায়তা চায়। এরপর পুলিশ যখন মারাত্মক আক্রমণের শিকার হয় এবং অনেকেরই আহত হন।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উভয় পক্ষকে শান্ত হয়ে স্থান ত্যাগের অনুরোধ জানিয়েছিল যাতে শান্তিপূর্ণভাবে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে বারবার অনুরোধ উপেক্ষা করে কিছু নেতাকর্মী মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও অশান্ত করে তোলে। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আঘাতের পাশাপাশি রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিলের মাধ্যমে সহিংসতা বাড়ানোর চেষ্টা করে। ইট-পাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থাপনে আগুন দেওয়ার চেষ্টা চলে।

এছাড়াও, এই সহিংসতায় বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও সংলগ্ন এলাকা বজ্রাঘাতের মতো জনচলাচল ব্যাহত হয়, ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক অসুবিধা এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর শান্তিপূর্ণ সমাধান ও বুঝাবুঝির সব প্রচেষ্টা উপেক্ষা করে বেশ কিছুজনের দ্বারা হামলা চালানো হয়। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না আসায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শক্তি প্রয়োগ করতে বাধ্য হয়। এই ঘটনায় প্রায় ৫ জন সেনা সদস্য আহত হন।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, সরকার সব ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই সিদ্ধান্তের পুনর্ব্যক্তি করে জানিয়েছে যে, দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করতে তারা সব সময় কঠোর অবস্থানে থাকবে। নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সেনাবাহিনী সবসময় প্রস্তুত।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo