1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

রূপসার পল্লীতে সরকারি রাস্তা দখল ও ইট তৈরির ব্যবসা প্রত্যাহার দাবি

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

খুলনার আঠারোবেঁকী নদীর তীরে রূপসার নেহালপুর মিস্ত্রিপাড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি রাস্তা দীর্ঘ সময় ধরে দখল করছে মেঝুরির বেশ কয়েকটি ইটভাটা, যার ফলে এলাকায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মেসার্স এমএনএস ব্রিক্সস নামের একটি ইটভাটার মালিক এই রাস্তার অধিকাংশ অংশ কেটে নিজের ইটের পট (মাটি দিয়ে তৈরি ইটের ব্যবসা) তৈরির জন্য ব্যবহার করছে। এতে ঐতিহ্যবাহী এই রাস্তা দুঃখজনকভাবে বিলীন হয়ে যাওয়ার পথে। এলাকাবাসীর দাবি, এইরাস্তার অবিলম্বে দখল মুক্ত করে সাধারণ জনগণের চলাচলের জন্য পুনর্স্থাপন করা জরুরি। বৃহত্তর জনস্বার্থে কাজ না হলেই কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের হুমকি দিয়েছেন ক্ষোভে প্রতিবাদকারীরা।

নেহালপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানান, এই রাস্তা দিয়ে রামনগর, কচুয়া এবং অন্যান্য গ্রাম থেকে নেহালপুর খেয়াঘাটে আসা যায়। সেই বছরের পর বছর ধরে সরকারি এই গুরুত্বপূর্ণ পথটি অবৈধ দখলে থাকায় সাধারণ মানুষ চলাচলে খুবই দুর্ভোগে পড়েছেন। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই পুরাতন রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে এমএনএস ব্রিক্সসের মালিকের স্বার্থে জবরদখল করা হয়েছে। মনোযোগ না দিলে ভবিষ্যতেও সমস্যা লাগামছাড়া থাকবে বলে আশঙ্কা এলাকাবাসীর।

অভিযুক্ত এমএনএস ব্রিক্সসের ম্যানেজার মিজানুর রহমান জানান, পাঁচ বছরের জন্য ইটভাটা পরিচালনার অনুমোদন রয়েছে তাদের। তিনি বলেন, সরকারি রাস্তা দখলে রাখার বিষয়টি নতুন নয়, তবে সরকার চাইলে আবার রাস্তা মুক্ত করে দিতে পারবে। অন্যদিকে, স্থানীয় পর্যায়ে জানানো হয়েছে, এই রাস্তা জেলা পরিষদের বলে, এবং এটি বিভিন্ন গ্রামের মানুষের নিয়মিত চলাচলের জন্য ব্যবহৃত। ভাষ্যকাররা বলছেন, রাস্তার দখল ও অবকাঠামো ধ্বংসের জন্য কোনো ধরনের নিয়মবহির্ভূত কাজ চালিয়ে যাওয়া একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা আক্তার রিক্তা বলেন, দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকাবাসী বলেন, এই সরকারি রাস্তাটি অবিলম্বে উদ্ধার না হলে তাদের মানববন্ধন ও কঠোর আন্দোলন আসন্ন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo