1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ ধানমন্ডিতে ১০তলা ভবনের বারান্দা থেকে পড়ে ৮ বছরের গৃহকর্মীর মৃত্যু গুজব ও এআই-ভিত্তিক বিভ্রান্তি রোধে সরকার কঠোর হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রী: সারাদেশে একযোগে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে বোর্ড পরীক্ষা হবে সাবেক ডিবি এডিসি গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে

এক দশকে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে ১২৫ শতাংশ

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০

বাংলাদেশে এক দশকের ব্যবধানে বৈদেশিক ঋণের দায় ১২৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে ২০০৯ সালে বাংলাদেশের সর্বমোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ২৫৩৭ কোটি ২০ লাখ ডলার যা টাকার অংকে ২ লাখ ১৫ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা। ২০১৯ সালে এর স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৫৭০৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা ৪ লাখ ৮৫ হাজার ২৪৮ কোটি টাকা। অর্থাত্ এই এক দশকে ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা বা ১২৫ শতাংশ।

ওয়াশিংটনে সংস্থার সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত ‘আন্তর্জাতিক ঋণ পরিসংখ্যান-২০২১’ শিরোনামে প্রতিবেদনে বাংলাদেশসহ স্বল্প ও মধ্য আয়ের ১২০টি দেশের বিদেশি ঋণ পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পরিসংখ্যান রয়েছে। চলতি বছরের হালনাগাদ পরিসংখ্যান ধরলে এই ঋণের পরিমাণ আরো বেশি হবে। করোনা অতিমারির প্রভাবে ইতিমধ্যে সরকারিভাবে বিদেশি উত্স থেকে ঋণ বেড়েছে।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থুল দেশজ আয়ের (জিএনআই) তুলনায় বিদেশি ঋণের অনুপাত এখনো ঝুঁকি মাত্রার নিচে রয়েছে। এজন্য ঋণের আকার বাড়লেও অর্থনীতির সক্ষমতা বিবেচনায় এটি বেশি নয়। ঋণ বাড়লেও গত তিন বছর ধরে জিএনআই-এর ১৮ শতাংশের মধ্যে রয়েছে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে অন্যান্য দেশের বিদেশি ঋণ প্রসঙ্গে বলা হয়, ২০১৯ সাল শেষে স্বল্প এবং মধ্যম আয়ের ১২০ দেশের ঋণের পরিমাণ ৮ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৯ সালে এক বছরের ব্যবধানে বৈদেশিক ঋণ সাড়ে ৯ শতাংশ বেড়েছে। যার পরিমাণ ৭৭৪ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৫ লাখ ৭৯ হাজার কোটি টাকা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার প্রভাবে উন্নয়নশীল বিশ্বে ঋণ বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি উদ্বেগের। দরিদ্র দেশগুলোর নতুন শর্তযুক্ত ঋণ গ্রহণ, সুদের হার এবং স্বচ্ছতার বিষয়গুলো নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। কোভিডের আগেই দরিদ্র দেশগুলোর ঋণ বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ ছিল।

প্রতিবেদনের বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাস উল্লেখ করেছেন, দীর্ঘমেয়াদে ঋণের স্থিতিশীলতা নির্ভর করছে ঋণ ও বিনিয়োগ স্বচ্ছতার ওপর। এখন সময় এসেছে দরিদ্র দেশগুলোর ঋণ সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার। প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের স্থিতি হিসাবে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ৫৭০৮ কোটি ৮০ লাখ ডলারের ঋণের মধ্যে সরকারি ঋণ ৪১০৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আইএমএফের ঋণ রয়েছে ১৪১ কোটি ৪০ লাখ ডলার। প্রতিবেদনে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই), বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ, স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণসহ বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, বাংলাদেশের তুলনামূলক দীর্ঘমেয়াদি ঋণের পরিমাণই বেশি। ২০১৯ সালে এফডিআই এসেছে ১৩৭ কোটি ১০ লাখ ডলার সমপরিমাণ। দীর্ঘমেয়াদি ঋণের স্থিতি ৪৫৯৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার। বেসরকারি খাতে ঋণ মাত্র ৪৯০ কোটি ১০ লাখ ডলার।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo